প্রকাশ: বুধবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৫, ৮:৫৫ পিএম আপডেট: ২৯.১০.২০২৫ ৯:০২ PM

সংগৃহীত ছবি
গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর বলেছেন, আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন ১৪ দল, বিশেষ করে জাতীয় পার্টি, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে না পারার জন্য নির্বাচন কমিশনকে ব্যবস্থা নিতে হবে।
আজ বুধবার (২৯ অক্টোবর) নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এএমএম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি সাংবাদিকদের এই তথ্য জানান।
নুর বলেন, “বাংলাদেশের জনগণ ফ্যাসিবাদী শক্তিকে প্রত্যাখ্যান করেছে। আইনগতভাবে তাদের বিচার চলছে। তাই তাদের নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া যাবে না। ১৪ দলের অফিস-টফিসও কার্যত অনুপস্থিত, যেখানে মূল নেক্সাস ছিল আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টি।”
তিনি আরও বলেন, “নির্বাচন কমিশন কোনো রাজনৈতিক দলের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করতে পারে না। এ সিদ্ধান্ত সরকার বা আদালতের মাধ্যমে নিতে হবে। তবে সরকার যদি শান্তিপূর্ণ, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন চায়, তাহলে ১৪ দলের নেতাদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।”
নুরুল হক নুর ভোটপ্রক্রিয়ার ক্ষেত্রে জোটের প্রথার প্রসঙ্গেও মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, “যদি জোটের মাধ্যমে ভোটে অংশগ্রহণ করা হয়, প্রতিটি দলের প্রার্থী নিজেদের প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। এটি ইতিবাচক প্রক্রিয়া।”
গণঅধিকার পরিষদের নির্বাচনী অবস্থান নিয়ে নুর বলেন, দল স্বতন্ত্রভাবে ৩০০ আসনের প্রার্থী বাছাই, পরিচিতি ও গণসংযোগের ওপর কাজ করছে। আপাতত কোনও রাজনৈতিক জোটে যোগদান বিষয়ে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেই, তবে বিএনপি ও জামায়াতসহ বিকল্প জোট গঠনের আলোচনা চলছে।
তিনি সরকারি উপদেষ্টাদের নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করার কথাও উল্লেখ করেন, যাতে নির্বাচনের স্বচ্ছতা বজায় থাকে।
নুরের মতে, জাতীয় নির্বাচনের সঙ্গে জুলাই সনদ গণভোটের বিষয়টি সংযুক্ত করলে এটি একটি ভালো উদ্যোগ হতে পারে। গণঅধিকার পরিষদকে প্রতিনিধিত্ব করতে সাত সদস্যের দল সিইসির সঙ্গে বৈঠকে উপস্থিত ছিল।