প্রকাশ: শনিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৫, ১১:৫৫ পিএম

সংগৃহীত ছবি
শনিবার দুপুর ২টার দিকে মতিঝিলের শাপলা চত্বর থেকে মিছিলটি শুরু হয়ে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেটে গিয়ে সমাবেশে পরিণত হয়।
সমাবেশে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক বলেন, “ঘোষিত জুলাই সনদের আইনি বৈধতা নিশ্চিত করতে আগামী নভেম্বরের মধ্যেই গণভোট আয়োজন করতে হবে। সেই গণভোটের ফলাফলের ভিত্তিতেই আগামী ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়া উচিত। অন্যথায় দেশের জনগণ এ সিদ্ধান্ত মেনে নেবে না।”
শনিবার জুলাই সনদ বাস্তবায়নে গণভোট আয়োজনসহ পাঁচ দফা দাবিতে আট দল ঘোষিত যুগপৎ আন্দোলনের অংশ হিসেবে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ শাখার যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত বিক্ষোভ মিছিল ও পরবর্তী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। দুপুর ২টার দিকে মতিঝিলের শাপলা চত্বর থেকে মিছিল শুরু হয়ে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেটে গিয়ে সমাবেশে মিলিত হয়।
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি মাওলানা সানাউল্লাহ আমিনী। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ, যুগ্ম-মহাসচিব মাওলানা আতাউল্লাহ আমিন, মাওলানা তোফাজ্জল হোসেন মিয়াজী।
অন্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন নায়েবে আমির মাওলানা রেজাউল করীম জালালী, অ্যাডভোকেট মাওলানা শাহিনুর পাশা চৌধুরী, যুগ্ম-মহাসচিব মাওলানা আব্দুল আজীজ, মুফতি শরাফত হোসাইন, সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা এনামুল হক মূসা, মাওলানা মুহসিনুল হাসান, আইনবিষয়ক সম্পাদক মাওলানা শরীফ হোসাইন, প্রচার সম্পাদক মাওলানা হাসান জুনাইদ, মহানগর উত্তরের সহসভাপতি মাওলানা এহসানুল হক প্রমুখ।
মাওলানা মামুনুল হক বলেন, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের ঘোষিত পাঁচ দফা কোনো এক দলের ব্যক্তিগত দাবি নয়—এটি দেশের সাধারণ মানুষের প্রাণের অনুরোধ। আমরা একই মতাবলম্বী দলগুলোর সঙ্গে মিলেমিশে এই দাবিগুলো বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছি। সরকার যদি জনগণের দাবি উপেক্ষা করে তখন আমাদের কঠোর প্রতিক্রিয়া প্রদর্শন হবে। আমরা শান্তিপূর্ণ ও আইনি পথে আমাদের দাবি জানাচ্ছি; কিন্তু সরকার যদি তাত্ক্ষণিক পদক্ষেপ গ্রহণ না করে তবে ভবিষ্যতে আরো তীব্র আন্দোলনে যেতে বাধ্য হব।
তিনি আরো বলেন, জুলাই বিপ্লবে যারা দেশের জন্য জীবন ও রক্ত উৎসর্গ করেছেন তাদের ত্যাগের মর্যাদা রক্ষা করাই বর্তমান সরকারের দায়িত্ব। যেসব শহীদের রক্তের ওপর এই সরকারের বৈধতা প্রতিষ্ঠিত, তাদের রক্তকে অবজ্ঞা করলে ইতিহাস কড়া বিচার করবে।
স্বদেশ প্রতিদিন/ নিয়াজ