বৃহস্পতিবার ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
   
শিরোনাম:
দেশকে অস্থিতিশীল করার সুযোগ দেয়া হবে না       নৈরাজ্য ও ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে মোংলায় বিএনপির বিক্ষোভ       আওয়ামী লী‌গের তিন নেতা গ্রেপ্তার      সাতক্ষীরায় জলবায়ু ন্যায়বিচার প্রকল্পের সমাপনী      সন্ত্রাসের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার প্রতিবাদে বিক্ষোভ       আইনশৃঙ্খলা সভায় হট্টগোল, তর্কে জড়ালেন এমপি হান্নান      লাতিন আমেরিকার দুই দলকে হারাল জাপান-কোরিয়া      কিশোর গ্যাংয়ের সঙ্গে সম্পৃক্ততার সন্দেহে ৫১ কিশোর আটক      প্রথম ১৪ ওয়ানডেতেই ইতিহাস গড়লেন ম্যাথু ব্রিটজকে      ২৫ সেপ্টেম্বরের মুর্তজা কিজিলবাশের কনসার্ট স্থগিত      অঙ্কন-নন্দিতার দ্বৈত কণ্ঠে আজ প্রকাশিত হচ্ছে ‘মথুরা’      ফোটন সার্ভিস সেন্টারের উদ্বোধন      
মেঘনায় ৬৬% লোডশেডিং নিয়ে প্রশ্ন পল্লী বিদ্যুতের হিসাব ঘিরে
মেঘনা (কুমিল্লা) প্রতিনিধি
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২৫, ২:৪৭ AM

কুমিল্লার মেঘনা উপজেলায় বুধবার (১৫ অক্টোবর) দুপুর থেকে রাত পর্যন্ত অব্যাহত লোডশেডিংয়ে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। সারাদিন বিদ্যুৎবিহীন অবস্থায় থমকে গেছে ব্যবসা-বাণিজ্য, ব্যাহত হয়েছে হাসপাতাল ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম। সন্ধ্যার পরও এলাকাজুড়ে একটানা অন্ধকারে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে।

এদিকে কুমিল্লা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি–৩-এর অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি পিজিসিবি (PGCB) থেকে যতটুকু বিদ্যুৎ পায়, কেবল সেই পরিমাণ বিদ্যুৎই গ্রাহকদের মধ্যে বিতরণ করা হয়। বর্তমানে সমিতি এলাকায় চাহিদার তুলনায় সরবরাহ ২৯ শতাংশ কম, অর্থাৎ সার্বিকভাবে ২৯ শতাংশ লোডশেডিং চলছে।

আরও বলা হয়েছে, দাউদকান্দি (তিতাস) গ্রীডে বিদ্যুতের মোট চাহিদা ১৪১ মেগাওয়াট, সরবরাহ ১০০ মেগাওয়াট-ফলে ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ৪১ মেগাওয়াট বা প্রায় ২৯ শতাংশ। এই হিসাবে প্রতিটি সাবজোনে আনুপাতিকভাবে বিদ্যুৎ বণ্টন হওয়ার কথা।

কিন্তু মেঘনায় সেই হিসাবের সঙ্গে বাস্তব চিত্রের বড় অমিল দেখা গেছে। মেঘনা সাবজোনাল অফিসের সহকারী জেনারেল ম্যানেজার (এজিএম) প্রকৌশলী মো. আল-মামুন সবুজ বলেন, “মেঘনায় বর্তমানে বিদ্যুতের চাহিদা ১২ মেগাওয়াট, কিন্তু বরাদ্দ পাওয়া যাচ্ছে মাত্র ৪ মেগাওয়াট। ফলে প্রতি ঘণ্টায় চারটি ইউনিয়নের লাইন বন্ধ রাখতে হচ্ছে। মোটামুটি ৬৬ শতাংশ লোডশেডিং চলছে।”

ফিডারভিত্তিক হিসাবেও এই ঘাটতি স্পষ্ট। মেঘনা উপজেলার মোট ছয়টি ফিডারের মধ্যে বুধবার দুপুর থেকে রাত পর্যন্ত চারটি ফিডার বন্ধ এবং মাত্র দুটি ফিডার চালু ছিল। অর্থাৎ দুই-তৃতীয়াংশ এলাকায় সারাদিন বিদ্যুৎ ছিল না।

হিসাব কষে দেখা যায়, যদি সমগ্র সমিতি এলাকায় ২৯ শতাংশ ঘাটতি থাকে, তবে মেঘনায় ১২ মেগাওয়াট চাহিদার বিপরীতে অন্তত ৮.৫ মেগাওয়াট সরবরাহ পাওয়ার কথা। অর্থাৎ সর্বোচ্চ ৩.৫ মেগাওয়াট ঘাটতি বা প্রায় ৩০ শতাংশ লোডশেডিং হতে পারত। কিন্তু বাস্তবে বরাদ্দ যদি হয় মাত্র ৪ মেগাওয়াট, তাহলে ঘাটতি দাঁড়ায় ৮ মেগাওয়াট-যা ৬৬ শতাংশের সমান।

এই অস্বাভাবিক ফারাক স্থানীয়দের মধ্যে প্রশ্ন তুলেছে-মেঘনায় বরাদ্দ কি ইচ্ছাকৃতভাবে কম দেওয়া হচ্ছে, নাকি বণ্টনের হিসাবেই গরমিল রয়েছে?

স্বদেশ প্রতিদিন/ আরএফ 



আরও সংবাদ   বিষয়:  মেঘনা  






Loading...
Loading...
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ  
অনুসরণ করুন
     
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ মজিবুর রহমান চৌধুরী
স্বদেশ গ্লোবাল মিডিয়া লিমিটেড -এর পক্ষে প্রকাশক কর্তৃক সিটি পাবলিশিং লি, আর কে মিশন রোড, ঢাকা-১২০৩ থেকে মুদ্রিত ও ১০, তাহের টাওয়ার, গুলশান সার্কেল-২ থেকে প্রকাশিত।
ফোন: ৯৮৫১৬২০, ৮৮৩২৬৪-৬, ফ্যাক্স: ৮৮০-২-৯৮৯৩২৯৫। ই-মেইল : [email protected], [email protected]
🔝
close
অনুসরণ করুন
     
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ মজিবুর রহমান চৌধুরী
স্বদেশ গ্লোবাল মিডিয়া লিমিটেড -এর পক্ষে প্রকাশক কর্তৃক সিটি পাবলিশিং লি, আর কে মিশন রোড, ঢাকা-১২০৩ থেকে মুদ্রিত ও ১০, তাহের টাওয়ার, গুলশান সার্কেল-২ থেকে প্রকাশিত।
ফোন: ৯৮৫১৬২০, ৮৮৩২৬৪-৬, ফ্যাক্স: ৮৮০-২-৯৮৯৩২৯৫। ই-মেইল : [email protected], [email protected]
🔝
close