প্রকাশ: শনিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ৪:৩৩ AM

অমুসলিমদের উৎসবে মুসলমানদের আচরণ যেমন হবে শীর্ষক নিবন্ধে শায়খ আহমাদুল্লাহ ধর্মীয় সহনশীলতা, সম্প্রীতি ও মুসলমানদের করণীয় বিষয়ে দিকনির্দেশনা দিয়েছেন।
তিনি বলেন, বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি পৃথিবীর অনেক দেশের জন্য দৃষ্টান্ত হলেও রাজনীতির স্বার্থে অনেক সময় ধর্মকে ব্যবহার করে অশান্তি সৃষ্টি করা হয়। অথচ কোরআনেই স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, যারা মুসলমানদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে না বা ঘরবাড়ি থেকে উচ্ছেদ করে না, তাদের সঙ্গে সদয় ও ন্যায্য আচরণ করতে হবে। নবী করিম (সা.)-ও মানুষ হিসেবে সকলের মর্যাদা রক্ষার শিক্ষা দিয়েছেন।
তবে উদারতার নামে উদাসীন হওয়া উচিত নয়। হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের পূজায় মুসলমানদের অংশগ্রহণ ইসলাম অনুমোদন করে না, কারণ পূজার মূল আনুষ্ঠানিকতাই শিরক, যা ইসলামে সবচেয়ে বড় পাপ। শায়খ আহমাদুল্লাহ উদাহরণ টেনে বলেন, রাজনৈতিক দলে যেমন আদর্শের স্বাতন্ত্র্য রক্ষা জরুরি, তেমনি মুসলমানদেরও ধর্মীয় স্বাতন্ত্র্য বজায় রাখা ফরজ।
তিনি আরও বলেন, পূজায় অংশগ্রহণ না করলেও হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের উৎসবে বাধা দেওয়া যাবে না। বরং মন্দিরে হামলা বা প্রতিমা ভাঙচুর কোনোভাবেই বৈধ নয়; এগুলো ঘৃণিত কাজ এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করার ষড়যন্ত্র। মুসলমানদের দায়িত্ব হলো এসব অনভিপ্রেত কর্মকাণ্ড ঠেকানো।
সবশেষে তিনি জুমার মিম্বর থেকে আহ্বান জানান, মুসলমানরা যেন দীন-ধর্মের স্বাতন্ত্র্য বজায় রাখার পাশাপাশি উদারতা ও ন্যায়বিচারের আদর্শ ধারণ করে।
স্বদেশ প্রতিদিন/ আরএফ