প্রকাশ: রবিবার, ১৮ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:১৬ পিএম

মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবনাদর্শ মুসলমানদের দৈনন্দিন জীবনযাপনের গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা। খাবার গ্রহণ, পরিচ্ছন্নতা, পানাহার ও ঘুমের অভ্যাসেও রয়েছে তাঁর শিক্ষা। ইসলামী আলোচক শায়খ আহমাদুল্লাহর একটি আলোচনায় সুস্থ জীবনযাপনের সঙ্গে সম্পর্কিত এমন ১৪টি সুন্নাহর কথা তুলে ধরা হয়েছে।
এসব দিকনির্দেশনার মধ্যে রয়েছে মাদক ও ক্ষতিকর দ্রব্য বর্জন, হালাল ও পবিত্র খাবার গ্রহণ, খাওয়ার আগে হাত ধোয়া এবং পরিমিত আহার। খাবার বা পানীয়ের পাত্রে নিঃশ্বাস না ফেলা, ফু না দেওয়া, বসে পানাহার করা, অতিরিক্ত গরম খাবার এড়িয়ে চলা, বড় পাত্রের মুখে সরাসরি মুখ লাগিয়ে পানি পান না করা এবং কয়েক ঢোকে বিরতি দিয়ে পানি পান করার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। পরিমিত খাবার গ্রহণের ক্ষেত্রে পেটের এক-তৃতীয়াংশ খাবার, এক-তৃতীয়াংশ পানীয় এবং বাকি এক-তৃতীয়াংশ খালি রাখার শিক্ষা বিশেষভাবে আলোচিত হয়েছে।
এ ছাড়া সোমবার ও বৃহস্পতিবার এবং প্রতি হিজরি মাসের নির্দিষ্ট তিন দিনে নফল রোজা রাখা, রাতে অপ্রয়োজনীয় জাগরণ এড়িয়ে পর্যাপ্ত ঘুম, ভোরে ওঠা, সালাতে রুকু-সিজদা ধীরস্থিরভাবে আদায় এবং খেজুর, কালোজিরা ও মধু সেবনের বিষয়গুলোও আলোচনায় এসেছে। এসব অভ্যাসের মধ্যে পরিচ্ছন্নতা, পরিমিত আহার ও নিরাপদ পানাহারের মতো বিষয় স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। তবে সব অভ্যাসের নির্দিষ্ট চিকিৎসাবৈজ্ঞানিক উপকারিতা সমানভাবে প্রতিষ্ঠিত নয়; সুন্নাহ পালনের পাশাপাশি অসুস্থ হলে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নেওয়াও জরুরি।
স্বদেশ প্রতিদিন/এস পি