প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ১:০০ পিএম

সংগৃহীত ছবি
যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক থেকে প্রকাশিত বাংলা সংবাদপত্র ‘ঠিকানা’-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, নির্বাচন ফেব্রুয়ারিতেই হবে। প্রধান উপদেষ্টাও নির্বাচনের পক্ষে। তবে শত্রুরা বাংলাদেশকে একটি অস্থির অবস্থার মধ্যে রাখতে চাইছে, যা সবাইকে মিলে প্রতিরোধ করতে হবে।
সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “অবশ্যই নির্বাচন হবে, তবে মানুষের মধ্যে তৈরি হওয়া অবিশ্বাস দূর করে আস্থা ফিরিয়ে আনার জন্য সবাইকে কাজ করতে হবে। ড. ইউনূসও নির্বাচনের পক্ষে আছেন এবং তিনি দৃঢ়চিত্তে সহযোগিতা করছেন। আমাদের দলের চেয়ারপার্সনও তার সঙ্গে মিটিং শেষে নিশ্চিত হয়েছেন। সেনাবাহিনী ও প্রশাসনও জানে নির্বাচন হবে। তবে বাংলাদেশের পরিস্থিতি সবসময় জটিল এবং শত্রুরা অস্থিরতা সৃষ্টি করতে চায়।”
তিনি আরও বলেন, “এখন যে প্রবণতাটা সবচেয়ে ভয়ানক, তা হলো মব ভায়লেন্স—কারো বিরুদ্ধে আক্রমণ, বাড়ি ভাঙা, ফ্যাক্টরি পোড়ানো। এটি আগে ছিল না; এখন খুব পরিকল্পিতভাবে কিছু পক্ষ এই কাজগুলো করছে। তারা বাংলাদেশের স্থায়িত্ব ও স্থিতিশীলতায় বিশ্বাস করে না।”
মির্জা ফখরুল বলেন, “আওয়ামী লীগ বিভাজনের রাজনীতি তৈরি করেছে। ১৫ বছরের রাজনৈতিক বিভাজনের ফলে সাধারণ মানুষের মধ্যে অবিশ্বাস তৈরি হয়েছে। এখন সবচেয়ে জরুরি কাজ হলো মানুষের মধ্যে আস্থা স্থাপন করা। নিজের প্রতি, নেতার প্রতি, রাজনৈতিক দলের প্রতি। মিডিয়ার নেগেটিভ কভারেজ এটি আরও বাড়াচ্ছে।”
নির্বাচন নিয়ে এনসিপি ও জামায়াতের অবস্থান প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “পলিটিক্যাল পার্টি সবসময় বার্গেইন করে। এটি অপরাধ নয়। তারা আলোচনার মাধ্যমে নিজের অবস্থান শক্ত করতে চাইছে। ইতিমধ্যে অনেক আলোচনা হয়েছে এবং আরও আলোচনার সুযোগ আছে।”