প্রকাশ: বুধবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ১০:২১ পিএম

সংগৃহীত ছবি
প্রতিদিনের দীর্ঘ সময় কর্মক্ষেত্রেই কাটে বেশিরভাগ মানুষের। সেখানে শুধু কাজ নয়, সহকর্মীদের সঙ্গে সম্পর্কও বড় প্রভাব ফেলে মানসিক স্বাস্থ্যে। কর্মক্ষেত্র হতে পারে অনুপ্রেরণার জায়গা, আবার সেখানে দেখা দিতে পারে নানা ধরনের চ্যালেঞ্জও। এর মধ্যে সবচেয়ে সাধারণ কিন্তু অস্বস্তিকর একটি বিষয় হলো সহকর্মীর ঈর্ষা।
আপনার সাফল্য, প্রশংসা কিংবা কোনো অর্জন অন্য কারও মনে হীনমন্যতা তৈরি করতে পারে। অনেক সময় তা প্রকাশ পায় গুজব, কটাক্ষ বা নেতিবাচক আচরণের মাধ্যমে। চাকরি পরিবর্তন হয়তো সহজ সমাধান মনে হতে পারে, তবে বাস্তবে সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো বুদ্ধিমত্তা ও ধৈর্যের সঙ্গে পরিস্থিতি সামলানো।
পেশাদার ও শান্ত থাকুন
ঈর্ষাপ্রসূত আচরণে আবেগতাড়িত প্রতিক্রিয়া না দেখানোই বুদ্ধিমানের কাজ। বরং কাজের প্রতি মনোযোগী থেকে পেশাদারিত্ব বজায় রাখুন। মনোবিজ্ঞানীরা বলেন, শান্ত প্রতিক্রিয়া ঈর্ষান্বিত সহকর্মীর উদ্দেশ্যকে ব্যর্থ করে দেয়।
নেতিবাচকতায় জড়াবেন না
গুজব, সমালোচনা কিংবা হেয় প্রতিক্রিয়ার জবাব দেওয়ার অর্থ হলো আগুনে ঘি ঢালা। অফিস পলিটিক্স থেকে দূরে থাকুন এবং বিনয়ের সঙ্গে নেতিবাচক আলোচনায় নিজেকে সরিয়ে নিন। এভাবে নিজের শক্তি ও মনোযোগ সঠিক জায়গায় ধরে রাখা সম্ভব।
নিজের কাজে মনোযোগ দিন
ঈর্ষান্বিত সহকর্মীরা সাধারণত নিজেদের অক্ষমতা ঢাকতেই অন্যকে ছোট করতে চায়। তাদের আচরণে না জড়িয়ে নিজের কাজ ও সাফল্যের ওপর ফোকাস রাখুন। কারণ সাফল্যই সবচেয়ে শক্তিশালী জবাব।