প্রকাশ: সোমবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ৩:৪৭ পিএম আপডেট: ২২.০৯.২০২৫ ৮:৩৬ PM

গাজায় টানা ২৩ মাসেরও বেশি সময় ধরে ইসরায়েলের আগ্রাসন অব্যাহত রয়েছে। হামাস উৎখাত ও জিম্মি মুক্তির নামে দখলদার সেনারা প্রতিদিনই গাজায় হত্যাযজ্ঞ চালাচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের নিরঙ্কুশ সমর্থনে আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছে নেতানিয়াহুর প্রশাসন।
এমন পরিস্থিতিতে ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের ওপর কূটনৈতিক চাপ বাড়াতে ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে পশ্চিমা চার মিত্র দেশ—যুক্তরাজ্য, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া এবং পর্তুগাল। এই ঐতিহাসিক স্বীকৃতিকে বিশ্বজুড়ে স্বাগত জানানো হয়েছে।
সৌদি আরব এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, পশ্চিমা দেশগুলোর এ সিদ্ধান্ত শান্তি প্রক্রিয়ায় তাদের অঙ্গীকারকে আরও দৃঢ় করেছে। তারা ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি না দেওয়া বাকি দেশগুলোকেও একই পথে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছে। একইসঙ্গে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ফ্রান্সের সঙ্গে যৌথভাবে দুই-রাষ্ট্র সমাধান নিয়ে সম্মেলনের নেতৃত্ব দেবে সৌদি আরব।
অন্যদিকে কাতার বলেছে, এই স্বীকৃতি মধ্যপ্রাচ্যে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টাকে আরও জোরদার করবে।
ফিলিস্তিনি নেতারা একে একটি ‘মাইলফলক’ বলে অভিহিত করেছেন। ফাতাহ নেতা মোহাম্মদ শটাইয়ে বলেন, মাহমুদ আব্বাসের নেতৃত্বাধীন কূটনৈতিক প্রচেষ্টার ফল এটি। অন্য এক শীর্ষ নেতা বলেছেন, গাজার মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় এটি এক ঐতিহাসিক পরিবর্তনের সূচনা।
তবে ঘনিষ্ঠ মিত্রদের এ পদক্ষেপে ক্ষুব্ধ হয়েছেন ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন, “জর্ডান নদীর তীরে কোনো ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠিত হবে না। এটি সন্ত্রাসবাদকে পুরস্কৃত করার সামিল, যা মেনে নেওয়া হবে না।”
স্বদেশ প্রতিদিন/ আরএফ