
বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু বলেছেন, দেশে যদি সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হতো, তাহলে আওয়ামী লীগের এ করুণ পরিণতি হতো না। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশে এখন সবচেয়ে বড় প্রয়োজন একটি অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন, যাতে জনগণ তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারে।’
শুক্রবার (১৯ সেপ্টেম্বর) জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে বাংলাদেশ নাগরিক অধিকার আন্দোলন আয়োজিত প্রতীকী যুব সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
দুদু অভিযোগ করে বলেন, ‘ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকার জনগণের ভোটাধিকার কেড়ে নিয়েছে, দেশের সম্পদ বিদেশে পাচার করেছে। এমনকি স্বৈরাচার শেখ হাসিনা ভারতে বসে চোরাগোপ্তা হামলার ষড়যন্ত্র করছেন।’
তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘তারা যদি আবার ষড়যন্ত্র করে, নির্বাচন বানচালের চেষ্টা করে, তাহলে জনগণ আর কোনো ষড়যন্ত্র মেনে নেবে না। সম্মিলিতভাবে প্রতিহত করা হবে।’
তিনি বলেন, ‘নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ ফিরলে দেশের স্বাভাবিক অবস্থা ফিরে আসবে এবং জনগণ তাদের ভোটের মাধ্যমে বিএনপিকে আবারও ক্ষমতায় আনবে।’
বিএনপির এই জ্যেষ্ঠ নেতা বলেন, ‘শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার জ্যেষ্ঠপুত্র তারেক রহমান আগামী দিনে বাংলাদেশের নেতৃত্ব দেবেন। তিনি জনগণের ওপর নির্ভর করে দেশকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যাবেন, গণতন্ত্র ও স্বাধীনতা রক্ষা করবেন।’
দুদু আরও বলেন, ‘খালেদা জিয়া ও তারেক রহমান বহুবার জনগণের ভোটাধিকার ফিরিয়ে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন, কিন্তু আওয়ামী লীগ সে আহ্বান উপেক্ষা করেছে। যার ফল আজকের এই করুণ পরিণতি।’
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন নাগরিক অধিকার আন্দোলনের সভাপতি এম জাহাঙ্গীর আলম এবং সঞ্চালনা করেন সদস্য সচিব ইঞ্জিনিয়ার মোফাজ্জল হোসেন হৃদয়। অন্যান্য বক্তাদের মধ্যে ছিলেন বিএনপির প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক এ বি এম মোশাররফ হোসেন, নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাসের মো. রহমতুল্লাহ, বিলকিস ইসলাম, প্রিন্সিপাল শাহ মোহাম্মদ নেসারুল হক, মৎস্যজীবী দল নেতা ইসমাইল হোসেন সিরাজী, কৃষক দল নেতা আব্দুর রাজী এবং ছাত্রদল নেতা শামীম আখন্দ প্রমুখ।
স্বদেশ প্রতিদিন/এমএম