প্রকাশ: মঙ্গলবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ৯:৩০ পিএম

আবারও বিতর্কের জন্ম দিলেন ওসি বশির আলম। সন্ত্রাস দমন, বিস্ফোরক নিয়ন্ত্রণ আইন ও বিশেষ ক্ষমতা আইনের মামলার এক আসামিকে পুলিশ ব্যারাকে নিয়ে আপ্যায়নের ঘটনায় বরগুনার আমতলী উপজেলা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে কর্মরত কোর্ট পরিদর্শক বশির আলমসহ ছয় পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহার (ক্লোজ) করা হয়েছে।
প্রত্যাহার হওয়া অন্য পুলিশ সদস্যরা হলেন— এএসআই মামুন, কনস্টেবল আশিস, মো. ফয়সাল, সোহরাব মিয়া ও শাহদাত হোসেন। তাদের পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়েছে। গত সোমবার বিকেলে এ সিদ্ধান্ত হয়। একই সঙ্গে তদন্তে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করেছে পুলিশ প্রশাসন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আল-মামুন শিকদার।
এর আগেও বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে জড়িয়েছিলেন বশির আলম। ২০২২ সালে বামনা থানা থেকে ঘুষ নেওয়ার অপরাধে তিনি ক্লোজ হয়েছিলেন।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গত ২ সেপ্টেম্বর আমতলীর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের পুলিশ ব্যারাকে গ্রেফতার হওয়া আমতলী পৌর যুবলীগ সভাপতি আরিফ-উল হাসানকে ভাত খাওয়ান বশির আলম। এ সময় সেখানে দু’জন নারী, দু’জন পুরুষ ও এক শিশু উপস্থিত ছিল। পুরো ঘটনাটি ভিডিওচিত্রে ধারণ হয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
ভিডিও প্রকাশের পরই সমালোচনার ঝড় ওঠে। এরপর আসামিকে আপ্যায়নের অভিযোগে বশির আলমসহ ছয় পুলিশ সদস্যকে ক্লোজ করা হয়।
পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আল-মামুন শিকদার বলেন, “আমতলীতে আদালতের গারদখানার সংস্কার কাজ চলছিল। এজন্য আসামিকে পুলিশ ব্যারাকে রাখা হয়েছিল। এ সময় তাকে ভাত খাওয়ানো হয়। ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নজরে আসে। পরে নির্দেশনা অনুযায়ী ছয় পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। তদন্ত চলছে, বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
স্বদেশ প্রতিদিন/এনআর