প্রকাশ: রবিবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ৩:০৪ AM আপডেট: ১৪.০৯.২০২৫ ৬:০১ এএম

ফাইল ছবি
ইউটিউবভিত্তিক গণমাধ্যমে আরো দায়িত্বশীল আচরণ আহ্বান জানিয়ে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেছেন, পৃথিবীর কোনো দেশেই সেনাবাহিনীর ইস্যুতে ২০ মিনিটের ভিডিও প্রকাশ করা হয় না। কিন্তু বাংলাদেশে এগুলো প্রতিনিয়তই হচ্ছে।
শনিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটরে কার্যালয়ের শফিকুল কবির মিলনায়তনে ‘গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের সুপারিশ পর্যালোচনা ও করণীয়’ শিরোনামে এক গোলটেবিল আলোচনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। এমসয় তিনি প্রতিবাদকে মব হিসেবে না দেখার জন্য সবাইকে অনুরোধ করেছেন।
মিডিয়া লাইসেন্স নেওয়ার ব্যাপারে সচিব বলেন,‘মিডিয়া লাইসেন্স নিতে হলে অনলাইনের জন্য ১০ থেকে ১৫ কোটি, পত্রিকার জন্য ২০ কোটি ও টিভির জন্য ২০-২৫ কোটি টাকা সিকিউরিটি হিসেবে সরকারের কাছে জমা রাখতে হবে। যখন হাউসগুলো ভালনারেবল হবে তখন সাংবাদিকদের বেতন-ভাতা দেওয়ার জন্য এগুলো কাজে আসবে।’
সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন জার্নালিস্ট কমিউনিটি অব বাংলাদেশের সদস্যসচিব মো. মিয়া হোসেন। মিয়া হোসেন তার বক্তব্যে বলেন, ‘বিদ্যমান দণ্ডবিধিতে সাংবাদিক নির্যাতনের ধারা অজামিনযোগ্য রয়েছে। অথচ কমিটির সুপারিশের ১৩ ধারাতে সাংবাদিক নির্যাতনের ধারাকে জামিনযোগ্য করা হয়েছে। এর মাধ্যমে অপরাধীকে ছাড় দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়েছে। যার কারণে অপরাধীরা আরো নির্যাতনে উৎসাহিত হবে।’ তিনি আরো বেশ কিছু ধারা ও উপধারায় সীমাবদ্ধতার কথা বলেন।
গোলটেবিল আলোচনায় সভাপতি হিসেবে ছিলেন ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি আবু সালেহ আকন। তার বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘বিপ্লবের পরে মিডিয়ার কাঠামোগত কোনো পরিবর্তন হয়নি। সাংবাদিকরা এখনো মবের শিকার হচ্ছে। কিন্তু ব্যবস্থা নিচ্ছে না সরকার। আমাদের অধিকার আমাদের আদায় করে নিতে হবে।’
স্বদেশ প্রতিদিন/শাহো