প্রকাশ: শনিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ১২:৩৬ পিএম

সংগৃহীত ছবি
রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে নুরুল হক ওরফে নুরাল পাগলার দরবার শরিফে হামলা ও ভাঙচুরের সময় পুলিশের ওপর হামলা, সরকারি কাজে বাঁধা প্রদান এবং সরকারি সম্পত্তি ধ্বংসের অভিযোগে মামলা করা হয়েছে। এতে অজ্ঞাত ৩ থেকে সাড়ে ৩ হাজার জনকে আসামি করা হয়েছে। শনিবার ভোর রাতে গোয়ালন্দ ঘাট থানার এসআই মো. সেলিম মোল্লা বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন।
গতকাল শুক্রবার (৫ সেপ্টেম্বর) এ ঘটনা ঘটে।
থানা পুলিশ জানায়, শুক্রবার জুম্মার নামাজের পর ‘ইমান আকিদা রক্ষা কমিটি’র ব্যানারে পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী মুক্তিযোদ্ধা শহীদ ফকীর মহিউদ্দিন আনসার ক্লাবে বিক্ষোভ কর্মসূচি আয়োজন করা হয়। বিক্ষোভ সভা শেষ হওয়ার পর জনতা দরবারের দিকে এগোতে চাইলে স্থানীয় প্রশাসন ও থানা পুলিশ তাদের ঠেকানোর চেষ্টা করে।
তবে বিক্ষুব্ধ জনতা গোয়ালন্দ উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সরকারি গাড়ি, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও গোয়ালন্দ ঘাট থানার ওসির গাড়ি ভাঙচুর করে। এছাড়া ৫ পুলিশ সদস্য এবং দুইজন স্থানীয় প্রশাসন কর্মকর্তা পিটিয়ে আহত হন এবং তাদের ওপর ঢিল ছোঁড়া হয়।
পরে জনতা নুরাল পাগলার বাড়ি ও দরবারের গেট ভেঙ্গে ভেতরে প্রবেশ করে ভবন ও দরবার শরীফে অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুর চালায়। এক পর্যায়ে তৌহিদী জনতা নুরুল হক বা নুরাল পাগলার লাশ কবর থেকে তুলে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের পদ্মার মোড়ে নিয়ে গিয়ে পুড়িয়ে দেয়।
গোয়ালন্দ ঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. রাকিবুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, বিভিন্ন ভিডিও ফুটেজ ও অন্যান্য প্রমাণাদি বিশ্লেষণ করে ঘটনায় জড়িত আসামিদের গ্রেপ্তার করা হবে।