প্রকাশ: সোমবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ৮:২০ পিএম

সংগৃহীত ছবি
সাতক্ষীরার শ্যামনগরে খোলপেটুয়া নদী থেকে অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদ করেছে উপজেলা প্রশাসন। সোমবার (১ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোছাঃ রনী খাতুনের নেতৃত্বে উপজেলার বড়কুপোট এলাকা থেকে তাদের উচ্ছেদ করা হয়।
জানা যায়, অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে নিতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে বার বার তাগিদ দেয়া সত্ত্বেও দখলদাররা তাতে গুরুত্ব দেয়নি। বরং নতুন করে ইট, বালু ও ইটের টুকরা ফেলে এবং চরের গাছ কেটে নদীর পশ্চিম তীরের বিস্তৃত অংশ দখলের অপচেষ্টা চালায় তারা।
এর আগে স্থানীয় দখলদার কর্তৃক অব্যাহতভাবে খোলপেটুয়া নদী দখল নিয়ে গত ১৩ জুলাই থেকে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হয়। পরবর্তীতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে দখলকৃত নদীসহ নির্মিত অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে নেয়ার জন্য জামান এন্টারপ্রাইজ, আল্লাহর দান এন্টারপ্রাইজসহ অন্যদের সময় বেঁধে দেয়া হয়। কিন্তু নিজেদের উদ্যোগে দখলকৃত নদী ও তদসংলগ্ন চর অবমুক্ত না করায় সোমবার সকালে উক্ত উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়।
এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা সহকারী কশিমনার (ভূমি) রাশেদ হোসাইন, উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা আব্দুর রহমান, বিএনপি নেতা আব্দুস সবুর, স্থানীয় চেয়ারম্যান আবু সালেহ বাবুসহ প্রশাসনের অপরাপর কর্মকর্তা, বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও বাজার ব্যবস্থাপনা কমিটির নেতৃবৃন্দসহ সাংবাদিক প্রতিনিধি এবং এলাকাবাসী।
এ ব্যাপারে, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোছাঃ রনী খাতুন জানান, সুন্দরবন সংলগ্ন খোলপেটুয়া নদী দখলে নিয়ে তারা ইট বালুর আড়ৎ গড়ে তুলেছিল। অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ করতে গিয়ে এসব দখলদাররা অনেক স্থানে গাছ কেটে ফেলেছে। দীর্ঘদিনেও কোন ব্যবস্থা না নেয়ায় ধীরে ধীরে দখলবাজরা চর পেরিয়ে নদীর মধ্যে ঢুকে পড়েছে। বাধ্য হয়ে নদী রক্ষার অংশ হিসেবে এসব দখলদারদের কবল থেকে চরসহ নদী উদ্ধারে অভিযান চালানো হয়েছে। সেখানে স্তুপাকারে রাখা সরঞ্জামাদী সরিয়ে নিতে তারা ২/৩ দিন সময় চেয়েছে।
এছাড়া, নদী বা জলাধার দখলের সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে এমন অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও নিশ্চিত করেন তিনি।
স্বদেশ প্রতিদিন/শাহো