প্রকাশ: শুক্রবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৫, ৩:৪৪ পিএম আপডেট: ২৯.০৮.২০২৫ ৪:০৩ PM

সংগৃহীত ছবি
সূরা বুরুজে আল্লাহ তায়ালা ঈমানদারদের কথা উল্লেখ করেছেন। এ প্রসঙ্গে তিনি এমন এক সম্প্রদায়ের কথা বলেছেন, যারা আল্লাহর ওপর অটল বিশ্বাসী ছিল, কিন্তু অবিশ্বাসীরা তাদের কঠোরভাবে কষ্ট দিয়েছিল। তবে কেউ তাদের ঈমান থেকে সরাতে পারেনি। পরে আল্লাহ তায়ালা তাদের জন্য স্বর্গের পুরস্কার এবং অবিশ্বাসীদের জন্য কঠোর শাস্তির কথা বর্ণনা করেছেন।
সূরায় উল্লেখিত দুই বাহিনী হলো: ফেরাউন এবং সামুদ সম্প্রদায়।
সামুদ সম্প্রদায়
সামুদ সম্প্রদায়ের নবী ছিলেন হজরত সালেহ (আ.)। তিনি তাদেরকে আল্লাহর পথে আহ্বান করেছিলেন। তিনি তাদের বলেছিলেন, আল্লাহ তায়ালা মানুষকে মাটি থেকে সৃষ্টি করেছিলেন। আল্লাহ তায়ালাই তোমাদেরকে নিজ অনুগ্রহে পৃথিবীতে বসতি স্থাপন করার সুযোগ দিয়েছেন। এর কারণে তোমরা এখানে জীবনযাপন করছো। তোমরা যেসব পাপ কাজ করো তার জন্য আল্লাহ তায়ালার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করা উচিত। তার ইবাদতেই মনোনিবেশ করা তোমাদের একান্ত কর্তব্য। তিনি তোমাদের খুব কাছে।
কিন্তু তারা তার ডাকে সাড়া দিল না। উল্টো আল্লাহর পক্ষ মুজিজা দাবি করলো। আল্লাহর কাছে দোয়া করে নবী সালেহ (আ.) মুজিজা হিসেবে পাথর থেকে একটি উট বের করলেন। এরপরও তারা আল্লাহর ওপর ঈমান আনলো না। মুজিজা ধ্বংসের চেষ্টা করলো। তখন আল্লাহ তায়ালা তাদের সমূলে ধ্বংস করে দিলেন
ফেরাউন সম্প্রদায়
মিশরের বাদশা ছিল ফেরাউন। ৪০০ বছর রাজত্ব করেছিল সে। সে নিজেকে খোদা দাবি করে বসেছিল। তাকে ও তার সম্প্রদায়ের হেদায়েতের জন্য আল্লাহ তায়ালা মুসা (আ.)-কে প্রেরণ করেছিলেন। নবী মুসা (আ.)-কে ৯টি মুজিজা দিয়েছিলেন। সবগুলো প্রত্যাখ্যান করে মুসা (আ.) ও ঈমানদের ধ্বংস করতে চেয়েছিল। ফলে আল্লাহ তায়ালা ফেরাউন ও তার অনুসারীদের নীলনদে ডুবিয়ে ধ্বংস করলেন।