প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৫, ২:৪৫ AM

সংগৃহীত ছবি
বিচারপ্রত্যাশী মানুষের সময়, শ্রম ও অর্থ বাঁচাতে সরকারের সর্বোচ্চ প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে লিগ্যাল এইড কার্যক্রম চলমান থাকবে এবং এ কাজে অনুদানের ওপর নির্ভর করতে হবে না বলে জানিয়েছেন আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল।
গতকাল সোমবার (২৫ আগস্ট) রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে ‘ন্যাশনাল কনফারেন্স অন এডিআর: রোল অব ডিস্ট্রিক্ট লিগ্যাল এইড কমিটিস ইন ইমপ্লিমেন্টিং নিউ লেজিসলেশন্স’ শীর্ষক সভায় এ কথা জানান তিনি।
ড. আসিফ নজরুল বলেন, “আমাদের অর্থের সংস্থান আছে। একটুও অনুদান না পেলেও আমরা বসে থাকব না। যতদিন দায়িত্বে আছি, কাজ চলবে এবং এমন ব্যবস্থা করব, যেন আমরা চলে গেলেও মানুষ এর সুবিধা পায়। সত্যিকারভাবে মানুষকে সেবা দিতে না পারলে আইন বা সরকারের প্রচেষ্টার কোনো মূল্য থাকবে না।”
তিনি আরো বলেন, “যে ছয় মাস আমরা দায়িত্বে আছি, এর মধ্যে প্রতিটি জেলায় লিগ্যাল এইডের ব্যবস্থা করা হবে। লিগ্যাল এইড সহজলভ্য করলে অল্প খরচে বহু মানুষের সমস্যা সমাধান সম্ভব। ইতিমধ্যেই লিগ্যাল এইড সেবা প্রাপ্ত ৯০ শতাংশ মানুষ রায়ের ক্ষেত্রে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন এবং আদালতের তুলনায় ১০ ভাগ সময়েই সমাধান পাচ্ছেন।”
এ সময়, আইন উপদেষ্টা লিগ্যাল এইডের কার্যক্রমকে বাধ্যতামূলক করার সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করে ২০২৬ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে প্রতি মাসে দুই লাখ মামলা লিগ্যাল এইডের মাধ্যমে সেবা দেওয়ার লক্ষ্য ঘোষণা করেন।
সভায় স্বাগত বক্তব্য দেন ও মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থার নির্বাহী পরিচালক সৈয়দ আজাদ সুবহানী।
প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান, অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান, বাংলাদেশে নিযুক্ত ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত এইচ.ই. মাইকেল মিলার এবং ইউএনডিপির আবাসিক প্রতিনিধি স্টেফান লিলার।
সমাপনী বক্তব্য দেন আইন ও বিচার বিভাগ সচিব শেখ আবু তাহের। এতে আরও উপস্থিত ছিলেন বিচার বিভাগের বিচারকগণ, জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থা ও আইন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাগণ এবং বিভিন্ন দেশের অতিথিরা।