প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৫, ১২:৩৪ AM

যশোর প্রেস ক্লাবে সহকারী শিক্ষকের সংবাদ সম্মেলন
চৌগাছার কুলিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো. সোহেল আক্তার যশোর প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (টিইও) মো. মোস্তাফিজুর রহমান, সাংবাদিক আজিজুর রহমান এবং অজ্ঞাতনামা আরো কয়েকজনের বিরুদ্ধে হামলা, হুমকি ও প্রমাণ নষ্টের অভিযোগ তুলেছেন।
লিখিত বক্তব্যে তিনি জানান, গত ১৮ আগস্ট দুপুর ১টা ১০ মিনিটের দিকে চৌগাছা উপজেলা পরিষদের গেটের সামনে মিজান কম্পিউটারের দোকানের কাছে কয়েকজন অজ্ঞাত ব্যক্তি তাকে কিল-ঘুষি ও লাঠি দিয়ে মারধর করে। এতে শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত ও ডান চোখের ওপরে রক্তাক্ত জখম হয়। হামলাকারীরা তাকে গালিগালাজ করে এবং ‘বাড়াবাড়ি করলে খুন-জখম করা হবে’ বলে হুমকি দেয়।
তার ভাষ্য অনুযায়ী, দুপুর ১টা ২৫ মিনিটে তিনি উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে আশ্রয় নেন। সেখানে সহকারী শিক্ষা অফিসার মো. নেছার আলী, মো. জাকির হোসেন, মো. রাশিদুল ইসলাম, অফিস সহকারী ইমামুল ও হিসাব সহকারী মো. শরিফুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন। এ সময় সাংবাদিক আজিজুর রহমান এসে তার পেটে তিনটি লাথি ও আঘাতের স্থানে দুটি চড় মারেন। তবে ঘটনাস্থলে উপস্থিত টিইও মো. মোস্তাফিজুর রহমান কোনো বাধা দেননি বলে দাবি করেন তিনি।
সোহেল আক্তারের অভিযোগ, প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে অফিসে ফিরে সিসিটিভি ফুটেজ চাইলে টিইও বলেন—“মামলা হলে পুলিশ চাইলে দেওয়া যাবে, এখন দেওয়া সম্ভব নয়।” এতে তিনি ‘ঘটনা আড়াল ও প্রমাণ নষ্টের চেষ্টা’ হয়েছে বলে দাবি করেন।
তবে অভিযোগের বিষয়ে টিইও মো. মোস্তাফিজুর রহমান ও সাংবাদিক মো. আজিজুর রহমানের কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। পুলিশের পক্ষ থেকেও তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।