প্রকাশ: শুক্রবার, ২২ আগস্ট, ২০২৫, ৮:৫৩ পিএম আপডেট: ২২.০৮.২০২৫ ৯:০৫ PM

সাক্ষর জাল করে এক ইউনিয়ন চেয়ারম্যানের উপর অনাস্থা দিয়েছে ইউপি সদস্যরা। এ ঘটনায় এলাকাজুড়ে নিন্দার ঝড় বইছে।
এলাকাবাসী বলছেন, সাধারণ ভোটারের ভোটে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছ্নে তিনি। ইউপি সদস্যদের অনাস্থার পেছনে গভীর ষড়যন্ত্র রয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে রাজবাড়ীর পাংশায়। ভুক্তভোগী কসবামাজাইল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শাহরিয়ার সুফল মাহমুদ।
স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সুফল এর বিরুদ্ধে যে সকল মেম্বাররা অনাস্থা দিয়েছেন অধিকাংশ মেম্বারের সাক্ষর জাল করে তারা এইসব করেছে। মেম্বাররা তার বিরুদ্ধে যাওয়ার কোন কারণ নেই। চেয়ারম্যান কোন দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত না। তিনি একজন ভালো মানুষ।
কসবামাজাইল ইউনিয়নের একজন মেম্বার নাম না প্রকাশ করার শর্তে বলেন, আমি তো ঠিকমতো নাম লিখতে পারি না। ওরা আমার সাক্ষর জাল করেছে। আমি সুফল চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে কোন সই করিনি।
ইউনিয়ন পরিষদের আরো একজন মেম্বার নাম না প্রকাশ করার শর্তে বলেন, আমাদের উপর প্রচণ্ড চাপ সৃষ্টি করে সাক্ষর করানো হয়েছে।
অনাস্থা বিষয়ে শাহরিয়ার মাহমুদ সুফল মুঠোফোনে বলেন, আমি সবসময় দুর্নীতির বিরুদ্ধে। কখনোই আমি দুর্নীতির সঙ্গে আপোষ করিনি। দুর্নীতিকে কখনো প্রশ্রয় দেয়নি ভবিষ্যতে দিব না। কিছু দুর্বৃত্তরা আমার বিরুদ্ধে মেম্বারদের সাক্ষর জাল করে মিথ্যা অনাস্থা এনেছে।
পাংশা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম আবু দারদা বলেন, অনাস্থার কপি পেয়েছি, তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
স্বদেশ প্রতিদিন/কেআইকে