পদোন্নতি বঞ্চিত অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তাগণের আবেদন পর্যালোচনা কমিটির ২য় পর্যায়ের প্রতিবেদন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে জমা দিয়েছে পর্যালোচনা কমিটি।
আজ বুধবার (২০ আগস্ট) প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে প্রধান উপদেষ্টার কাছে এই প্রতিবেদন জমা দেন কমিটির আহ্বায়ক ও সাবেক অর্থ সচিব জাকির আহমেদ খান।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের আওতায় ২০০৯ সাল থেকে ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট পর্যন্ত সময়ে চাকরিতে পদোন্নতিতে বঞ্চিত এবং ওই সময়ে অবসরে যাওয়া কর্মকর্তাদের আবেদন পর্যালোচনা করে সুপারিশ প্রণয়নের জন্য ২০২৪ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর ৫ সদস্যবিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়।
প্রথম ধাপে উপসচিব ও তদূর্ধ্ব পদে বঞ্চিত কর্মকর্তাদের আবেদন পর্যালোচনা শেষে ২০২৪ সালের ১০ ডিসেম্বর প্রতিবেদন জমা দেয়া হয়।
দ্বিতীয় ধাপে প্রশাসন ক্যাডার ব্যতীত অন্যান্য ক্যাডারের বঞ্চিত কর্মকর্তাদের আবেদন আহ্বান করা হয়। নির্ধারিত সময়ে ৩১৮টি আবেদন জমা পড়ে।
এর মধ্যে, ৬৮টি কমিটির আওতাবহির্ভূত এবং ৪০টি অসম্পূর্ণ হওয়ায় ১০৮টি আবেদন বাতিল হয়। ফলে ২১০টি আবেদন পর্যালোচনার জন্য গৃহীত হয়।
আবেদন যাচাই-বাছাই করতে কমিটি মোট ১৪টি সভা করে। প্রত্যেক ক্যাডারের আবেদন বিবেচনায় সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব পদমর্যাদার প্রতিনিধি সভায় উপস্থিত ছিলেন। লিখিত সুপারিশ, মতামত ও প্রাসঙ্গিক বিষয়াদি বিবেচনা করে চূড়ান্ত সুপারিশ প্রণয়ন করা হয়।
কমিটি গ্রেড-১ পদে ১২ জন, গ্রেড-২ পদে ৩২ জন এবং গ্রেড-৩ পদে ৩৪ জনসহ মোট ৭৮ জন কর্মকর্তাকে ভূতাপেক্ষ পদোন্নতির সুপারিশ করেছে। এর মধ্যে ৬ জন কর্মকর্তাকে ৩ ধাপ, ১৭ জনকে ২ ধাপ এবং ৫৫ জনকে ১ ধাপ পদোন্নতির সুপারিশ করা হয়েছে।
অন্যদিকে, ১৩২ জন কর্মকর্তার পদোন্নতির সুপারিশ করা হয়নি। প্রত্যেক ক্ষেত্রে সুপারিশ না করার কারণ সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।
এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন প্রধান উপদেষ্টার মুখ্য সচিব সিরাজ উদ্দিন মিয়া।