প্রকাশ: মঙ্গলবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৫, ৭:০৫ পিএম

ভোলার লালমোহন পৌরসভার একটি মাল্টি-পারপাস মার্কেটের ঘর বরাদ্দের নামে পৌর মেয়র এমদাদুল ইসলাম তুহিন প্রায় দুই কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগে উঠেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সংলগ্ন প্রধান খাল থেকে থানার মোড় পর্যন্ত বয়ে যাওয়া সংযোগ খালের ওপর মার্কেটটি নির্মাণ করেন মেয়র। মার্কেটের ১২৪টি ঘর বরাদ্দের জন্য প্রতি গ্রাহক আড়াই থেকে তিন লাখ টাকা প্রদান করলেও, মেয়র ফাইনালভাবে মাত্র এক লাখ টাকা পৌর কোষাগারে জমা দেখান। ঘরপ্রতি বাকি দেড়-দুই লাখ টাকা করে হাতিয়ে নেন তিনি।
মার্কেটের ঘরগুলো বরাদ্দ হলেও জেলা পরিষদের বাঁধার কারণে গ্রাহকদের বুঝিয়ে দিতে পারেননি। ৫ আগস্টের গণ-অভ্যুত্থানের পর ১৮ আগস্ট মেয়র অপসারণ করা হয় এবং প্রশাসক নিয়োগ করা হয়। পরে পৌর প্রশাসক ঘরগুলো গ্রাহকদের বুঝিয়ে দেওয়ার উদ্যোগ নিলে বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে।
বরাদ্দপ্রাপ্ত একাধিক গ্রাহক জানিয়েছেন, ঘরপ্রতি আড়াই থেকে তিন লাখ টাকা দেওয়ার পরও তারা ঘর পাননি, তবে ঘর হারানোর ভয়ে প্রকাশ্যে আসতে চাননি।
এ বিষয়ে মেয়র তুহিন বলেন, “এক লাখ টাকা পৌরসভার ফান্ডে জমা হয়েছে। বাকি টাকা আমি নিইনি, এটি অফিসিয়াল খরচ হিসেবে ব্যবহার করেছি। এটি ‘পেট অফিস’ এর খরচ।”
স্থানীয় সচেতনমহল ও গণমাধ্যমের মতে, সাবেক মেয়রের বিরুদ্ধে পূর্বেও দুর্নীতির মামলা রয়েছে, এবং আরও কিছু অনিয়ম খুঁজে বের হওয়ার আশঙ্কা আছে। তারা দুর্নীতি দমন কমিশনের দৃষ্টি আকর্ষণের দাবি করেছেন।
স্বদেশ প্রতিদিন/ আরএফ