প্রকাশ: শনিবার, ১৬ আগস্ট, ২০২৫, ১০:২৩ AM আপডেট: ১৬.০৮.২০২৫ ১০:২৯ এএম

সংগৃহীত ছবি
জাতিসংঘের মানবাধিকার অফিস জানিয়েছে, মে মাসের শেষের দিক থেকে এখন পর্যন্ত গাজায় ত্রাণ নিতে গিয়ে কমপক্ষে ১ হাজার ৭৬০ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে।
গতকাল শুক্রবার (১৫ আগস্ট) জাতিসংঘের মানবাধিকার অফিস এ তথ্য জানায়।
মে মাসে গাজায় বিতর্কিত সংস্থা হিউম্যানিটেরিয়ান ফাউন্ডেশন (জিএইচএফ) ত্রাণ বিতরণ শুরু করার পর থেকে বিভিন্ন স্থানে ফিলিস্তিনিদের ওপর নিয়মিত গুলি চালানোর অভিযোগ উঠেছে ইসরায়েলি বাহিনীর বিরুদ্ধে।
জাতিসংঘের সহায়তা সংস্থা এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ২৭ মে থেকে ১৩ আগস্ট পর্যন্ত ত্রাণ সংগ্রহের সময় অন্তত ১ হাজার ৭৬০ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে।
এর মধ্যে ৯৯৪ জন জিএইচএফের সাইটের আশেপাশে এবং ৭৬৬ জন বিভিন্ন ত্রাণ সরবরাহ রুটে নিহত হয়েছে। এই হত্যার অধিকাংশ ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর হাতে ঘটেছে।
গত ১ আগস্ট জাতিসংঘের প্রতিবেদনে নিহতের সংখ্যা ১ হাজার ৩৭৩ জন বলা হয়েছিল। তবে এ সংখ্যা প্রতিনিয়তই বাড়ছে।
গাজার বেসামরিক প্রতিরক্ষা সংস্থা জানিয়েছে, শুক্রবারই কমপক্ষে ৩৮ জন নিহত হয়েছে, যাদের মধ্যে ১২ জন মানবিক সহায়তার জন্য অপেক্ষা করছিলেন।
ইসরায়েলি সেনাবাহিনী দাবি করেছে, তারা হামাসের সামরিক ক্ষমতা নষ্ট করতে কাজ করছে এবং বেসামরিক ক্ষয়ক্ষতি কমাতে সতর্কতা অবলম্বন করছে।
সামরিক প্রধান জানান, নতুন আক্রমণের পরিকল্পনা অনুমোদিত হয়েছে, যার লক্ষ্য হামাসকে পরাজিত করা এবং বাকি জিম্মিদের মুক্ত করা। তারা গাজা শহর এবং আশেপাশের শরণার্থী শিবির নিয়ন্ত্রণে নিতে চাইছে। উপত্যকায় সংঘাত প্রায় দুই বছর ধরে চলছে।
ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী শুক্রবার জানিয়েছে, সৈন্যরা শহরের উপকণ্ঠে অভিযান চালাচ্ছে। এ যুদ্ধ সম্প্রসারণকে আন্তর্জাতিকভাবে তীব্র নিন্দা এবং দেশের ভিতরেও বিরোধের মুখে পড়েছে।
হামাস নিয়ন্ত্রিত গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে এখন পর্যন্ত ইসরায়েলি হামলায় কমপক্ষে ৬১ হাজার ৮২৭ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে।
স্বদেশ প্রতিদিন/ এমএএম