প্রকাশ: শুক্রবার, ৮ আগস্ট, ২০২৫, ৩:৫৬ পিএম আপডেট: ০৮.০৮.২০২৫ ৪:৩৭ PM

বক্তব্য দেয়ার পরপরই আবার আত্মগোপনে চলে যান ইমু
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে দেশে এনে বিচার করার দাবি জানিয়ে আলোচনায় উঠে আসা সেই আলোচিত শ্রমিক লীগ নেতা নাজমুল হক ইমুকে অবশেষে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব।
আজ শুক্রবার (৮ আগস্ট) রাতে ইমুকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন আশুলিয়ার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল হান্নান। এর আগে বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে আশুলিয়ার জামগড়া ছয়তলা
এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে র্যাব ৪ এর একটি অভিযানিক দল।
জানা যায়, আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকার পতনের পর আত্মগোপনে থাকা ইমুর বিরুদ্ধে জুলাইয়ের ছাত্র-জনতা গণঅভ্যুত্থানে হতাহতের ঘটনায় একাধিক মামলা রয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃত নাজমুল হক ইমু আশুলিয়া থানা শ্রমিক লীগের প্রচার সম্পাদক ও জাতীয় শ্রমিক লীগের আশুলিয়া আঞ্চলিক কমিটির সদস্য। পাশাপাশি তিনি স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা ও ইউপি চেয়ারম্যান সুমন আহমেদ ভূঁইয়ার ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবেও পরিচিত ছিলেন।
আরো জানা যায়, সরকার পতনের পর আত্মগোপনে থাকা ইমু পরে ‘কথিত সাংবাদিক’ পরিচয়ে আবারো জনসমক্ষে আসেন এবং তারেক রহমানকে দেশে এনে বিচার দাবি করা একটি বিতর্কিত বক্তব্যের মাধ্যমে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হন। পরে তিনি আবারও আত্মগোপনে চলে যান। কিন্তু ফেসবুকে তিনি বেশ সক্রিয় ছিলেন।
ভাইরাল হওয়া সেই ১ মিনিট ৫ সেকেন্ডের ভিডিওতে দেখা যায়-১৫ আগস্ট উপলক্ষ্যে আয়োজিত একটি দোয়া মাহফিলে বক্তব্য দিচ্ছেন তিনি। সেখানে তিনি তারেক রহমানকে “একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলার মাস্টারমাইন্ড” আখ্যা দিয়ে বলেন, “তারেক জিয়া এখনো লন্ডনে লুকিয়ে আছে। তাকে দেশে এনে ফাঁসির রায় কার্যকর করতে হবে। যারা বঙ্গবন্ধুর খুনিদের পুরস্কৃত করেছে, তাদেরকেও দেশে এনে বিচার করতে হবে”
বক্তব্যে তিনি আরো বলেন, “আওয়ামী বিরোধীরা দেশকে জঙ্গি রাষ্ট্র বানাতে চেয়েছিল। এমন বক্তব্য দেয়ার পরপরই আবার আত্মগোপনে চলে যান ইমু।”
এ বিষয়ে আশুলিয়া থানার ওসি আব্দুল হান্নান জানান, ছাত্র-জনতা হত্যাকাণ্ডের মামলায় এক আসামিকে থানায় হস্তান্তর করেছে র্যাব। গ্রেপ্তার ইমুর বিরুদ্ধে আইনানুগ প্রক্রিয়া চলছে।