প্রকাশ: বুধবার, ৯ জুলাই, ২০২৫, ৪:২১ পিএম

গত ২৪ ঘণ্টায় ১৫৩.৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে চট্টগ্রামে।
চট্টগ্রামে রাতভর বর্ষণের পর সকালে থেকেও থেমে থেমে বৃষ্টিপাত অব্যাহত রয়েছে। বৃষ্টিতে নগরের বিভিন্ন এলাকায় সৃষ্টি হয়েছে তীব্র জলাবদ্ধতা। বৃষ্টির মধ্যে গন্তব্যে যেতে ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে কর্মজীবী এবং শিক্ষার্থীদের। বৃষ্টির পরিমাণ আরো বেড়ে যাওয়ায় পাহাড় ধসের সতর্কতা জারি করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় ১৫৩.৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিস।
আজ বুধবার (৯ জুলাই) পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিসের সহকারী আবহাওয়াবিদ আব্দুর রহমান জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় ১৫৩.৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এছাড়াও মঙ্গলবার দুপুর ১২টা থেকে বুধবার দুপুর ১২টা পর্যন্ত ১১০ মিলিমিটার রেকর্ড করা হয়েছে।
তিনি আরো জানান, আগামী ২৪ ঘণ্টায়ও চট্টগ্রাম সহ দেশের কোথাও কোথাও ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে। এর ফলে চট্টগ্রামের পাহাড়ি এলাকার কোথাও কোথাও ভূমিধ্বসের সম্ভাবনা রয়েছে। সেই সাথে ভারী বর্ষণ কারণে কোথাও কোথাও অস্থায়ীভাবে জলাবদ্ধতা তৈরি হতে পারে।
এদিকে টানা বৃষ্টিতে নগরের কিছু কিছু এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। পানি নিষ্কাশন বাধাগ্রস্ত হয়ে রাস্তাঘাটে পানি জমে গেছে। এতে দুর্ভোগে পড়েছেন পথচারী ও যাত্রীরা। নগরের পাঁচলাইশ, কাপাসগোলা, শুলকবহর, আগ্রাবাদসহ বেশ কিছু নীচু এলাকায় জলাবদ্ধতা দেখা দেয়। সড়কে হাঁটুসমান পানি জমে গেছে। এতে গাড়ি চলাচল বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।
নগরের আগ্রাবাদ এলাকার বাসিন্দা সানাউল্লাহ বলেন, দুপুর ১২টায় ইম্পোর্টের স্যাম্পল নিয়ে বালুছড়ায় যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু বৃষ্টির কারণে কোনো গাড়িই পাচ্ছিলাম না। আধা ঘণ্টার বেশি দাঁড়িয়ে থেকে একটা গাড়িতে উঠতে পেরেছি।
চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা কমান্ডার ইখতিয়ার উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী বলেন, “নগরের কিছু জায়গায় রাস্তা উঁচু কিন্তু লিংক রোডগুলো নীচু। এসব জায়গায় ড্রেনগুলো বারবার পরিষ্কার করেও লাভ হচ্ছে না। মেয়র স্যারও এ বিষয়টি নিয়ে চিন্তিত।’’
তিনি আরো বলেন, “প্রকৌশল বিভাগের মাধ্যমে এসব রাস্তাগুলো একই লেভেলে আনতে হবে-এটা নিয়ে কথাবার্তা চলছে। আপাতত যেখানে পানি জমার শঙ্কা বা সমস্যা দেখা দিচ্ছে, সেসব এলাকার ড্রেনগুলো পরিষ্কার করা হচ্ছে।’’