প্রকাশ: বুধবার, ২ জুলাই, ২০২৫, ৮:৪৮ পিএম আপডেট: ০৩.০৭.২০২৫ ১২:১৫ এএম

সংগৃহীত ছবি
বিশ্বজুড়ে মৃত্যুর হার বাড়ছে হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকে। এর অন্যতম কারণ খাদ্যাভ্যাস ও জীবনযাপনের ধরন।
সাম্প্রতিক এক গবেষণা বলছে, “প্রতিদিনের ভালো খাদ্যাভ্যাস ও সঠিক জীবনযাপনের পাশাপাশি একটি নির্দিষ্ট ভিটামিন গ্রহণ করলে এই ঝুঁকি অনেকটা কমানো সম্ভব।”
কী সেই ভিটামিন?গবেষকেরা বলছেন, “ভিটামিন ডি নিয়মিত গ্রহণ করলে স্ট্রোকসহ বড় ধরনের হৃদ্রোগের ঝুঁকি প্রায় ১৭ শতাংশ কমে যেতে পারে।”
যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সাময়িকী নিউট্রিয়েন্টস-এ প্রকাশিত এক গবেষণায় দেখা গেছে, ভিটামিন ডি হৃদ্রোগ প্রতিরোধে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখতে পারে। গবেষকেরা ভিটামিন ডি নিয়েছেন বা নেননি, এমন ব্যক্তিদের মধ্যে পার্থক্য বিশ্লেষণ করে এ ধরনের কিছু ফলের কথা জানিয়েছেন।
এই ভিটামিন খাবার থেকে খুব বেশি পাওয়া যায় না। ভিটামিন ডির প্রধান উৎস সূর্যের আলো। যখন আমাদের ত্বকে সরাসরি রোদে পড়ে, তখন শরীরে স্বাভাবিকভাবে ভিটামিন ডি তৈরি হয়। তবে যারা রোদে কম বের হন, আবহাওয়ার কারণে নিয়মিত সূর্যের আলো পান না, তাদের ক্ষেত্রে শরীরে এর ঘাটতি দেখা দিতে পারে। এ ছাড়া বয়স, গায়ের রং, শরীরের চর্বির পরিমাণ ইত্যাদিও ভিটামিন ডি শোষণে প্রভাব ফেলে।
ভিটামিন ডি ও হৃদরোগ সম্পর্কিত বিভিন্ন গবেষণার তথ্য বিশ্লেষণ করে বেশ কয়েকটি বিষয় নজরে এসেছে। এর মধ্যে আছে-
১. অন্তঃসত্ত্বা নারীরা ভিটামিন ডি গ্রহণ করলে প্রি-এক্ল্যাম্পশিয়ার ঝুঁকি ৬০ ভাগ, গর্ভকালীন ডায়াবেটিস ৫০ ভাগ ও অকাল প্রসবের ঝুঁকি ৪০ ভাগ পর্যন্ত কমে আসে।
২.যেসব ব্যক্তি স্ট্যাটিন-জাতীয় ওষুধ গ্রহণ করেন বা হৃদরোগ প্রতিরোধে ওষুধ
খাচ্ছেন, তারা ভিটামিন ডি গ্রহণ করলে হৃদরোগের ঝুঁকি ১৩–১৭ শতাংশ কমতে
পারে।
৩. প্রি-ডায়াবেটিক রোগীদের ক্ষেত্রে হৃদরোগের ঝুঁকি কমে যেতে পারে।