শুক্রবার ● ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
   
শিরোনাম:
● দেশকে অস্থিতিশীল করার সুযোগ দেয়া হবে না       ● নৈরাজ্য ও ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে মোংলায় বিএনপির বিক্ষোভ       ● আওয়ামী লী‌গের তিন নেতা গ্রেপ্তার      ● সাতক্ষীরায় জলবায়ু ন্যায়বিচার প্রকল্পের সমাপনী      ● সন্ত্রাসের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার প্রতিবাদে বিক্ষোভ       ● আইনশৃঙ্খলা সভায় হট্টগোল, তর্কে জড়ালেন এমপি হান্নান      ● লাতিন আমেরিকার দুই দলকে হারাল জাপান-কোরিয়া      ● কিশোর গ্যাংয়ের সঙ্গে সম্পৃক্ততার সন্দেহে ৫১ কিশোর আটক      ● প্রথম ১৪ ওয়ানডেতেই ইতিহাস গড়লেন ম্যাথু ব্রিটজকে      ● ২৫ সেপ্টেম্বরের মুর্তজা কিজিলবাশের কনসার্ট স্থগিত      ● অঙ্কন-নন্দিতার দ্বৈত কণ্ঠে আজ প্রকাশিত হচ্ছে ‘মথুরা’      ● ফোটন সার্ভিস সেন্টারের উদ্বোধন      
অন্ধ, বধির, নিঃঘ্রাণ- তবু জীবন্ত!
প্রকৃতির বিস্ময়কর জৈব কাহিনি
স্বদেশ ডেস্ক
প্রকাশ: শনিবার, ২১ জুন, ২০২৫, ৭:৩৯ পিএম

প্রকৃতি যেন নিজেই এক রহস্যময় গবেষণাগার। এখানে এমন কিছু প্রাণী রয়েছে, যাদের নেই চোখ, কান কিংবা নাক- তবুও তারা দিব্যি টিকে আছে, বেড়ে উঠছে এবং বংশবিস্তার করছে। আধুনিক বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে এটি এক অনন্য জৈব অভিযোজন বা evolutionary adaptation। চলুন, পরিচিত হই এমন কিছু প্রাণীর সঙ্গে, যারা আমাদের প্রচলিত ধারণাকে চ্যালেঞ্জ করে।

প্ল্যানারিয়ান (Planarian)

এই ছোট, সমতল দেহের কেঁচোর মতো প্রাণীর কোনো চোখ নেই। তবে আশ্চর্যের বিষয় হলো, এটি তার শরীরের যে কোনো অংশ থেকে নিজেকে পুনরায় সৃষ্টি করতে পারে। গবেষণায় দেখা গেছে, মস্তিষ্ক ছাড়াও এরা আলো ও গন্ধ অনুভব করতে সক্ষম, যা একধরনের 'নিউরাল সেন্সিং'-এর মাধ্যমে সম্ভব হয়।

দীপ সমুদ্রের অক্টোপাস (Deep-sea Octopus)

গভীর সমুদ্রের অনেক অক্টোপাসের চোখ থাকলেও, তা প্রায় অকার্যকর। কারণ সেখানে আলো নেই। তাই তারা মূলত স্পর্শ, পানির তরঙ্গ ও রাসায়নিক সংকেতের উপর নির্ভর করে চলাফেরা ও শিকার করে।

ব্যাকটেরিয়া

ব্যাকটেরিয়া হলো এককোষী জীব। নেই চোখ, কান, নাক বা মস্তিষ্ক। তবুও পরিবেশের তাপমাত্রা, পিএইচ লেভেল ও রাসায়নিক উপস্থিতির প্রতিক্রিয়া দিতে সক্ষম। তারা ‘কেমোট্যাক্সিস’ নামক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে গন্ধ বা রাসায়নিক দ্রব্যের দিকে আকৃষ্ট হয়।

কিছু অন্ধ সাপ (Blind Snakes)


নাম শুনেই বোঝা যায়, এদের চোখ নেই বা চোখ থাকলেও তা ত্বকের নিচে ঢাকা থাকে এবং দৃষ্টিশক্তি নেই বললেই চলে। এরা মূলত গন্ধ ও কম্পন অনুভব করে চলাফেরা করে এবং শিকার করে।

কেভ ফিশ (Cave Fish)

গুহায় বসবাসকারী মাছের মধ্যে বেশিরভাগের চোখই জন্মগতভাবে অনুপস্থিত বা অবিকশিত। কারণ এদের আবাসস্থলে কোনো আলো পৌঁছে না। চোখের বদলে এদের ত্বক বা দেহে বিশেষ সংবেদনশীল কোষ থাকে, যা জলচলন ও আশপাশের গতিবিধি শনাক্ত করতে সাহায্য করে।

বিজ্ঞান বলছে, পরিবেশ অনুযায়ী প্রাণীদের দেহে সময়ের সঙ্গে নানা পরিবর্তন আসে। যেখানে আলো নেই, সেখানে চোখ থাকার দরকার পড়ে না। আবার যেখানে শব্দের প্রতিধ্বনি নেই, সেখানে কান অপ্রয়োজনীয়। ফলে এসব অঙ্গ অবলুপ্ত হয়ে যায় এবং বিকল্প উপায়ে টিকে থাকার দক্ষতা তৈরি হয়।

যাদের আমরা অক্ষম ভাবি, প্রকৃতি তাদের দিয়েছে অন্যরকম ক্ষমতা। চোখ, কান, নাকের বাইরে একটি বিস্ময়কর বাস্তবতা হলো—জীবন বেঁচে থাকার পথ ঠিকই খুঁজে নেয়। আর সে পথ আমাদের চেনা নিয়মের বাইরেও বিস্ময়করভাবে সুন্দর।

স্বদেশ প্রতিদিন/এমএম

আরও সংবাদ   বিষয়:  প্রকৃতি   প্রাণী  






Loading...
Loading...
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ  
অনুসরণ করুন
     
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ মজিবুর রহমান চৌধুরী
স্বদেশ গ্লোবাল মিডিয়া লিমিটেড -এর পক্ষে প্রকাশক কর্তৃক সিটি পাবলিশিং লি, আর কে মিশন রোড, ঢাকা-১২০৩ থেকে মুদ্রিত ও ১০, তাহের টাওয়ার, গুলশান সার্কেল-২ থেকে প্রকাশিত।
ফোন: ৯৮৫১৬২০, ৮৮৩২৬৪-৬, ফ্যাক্স: ৮৮০-২-৯৮৯৩২৯৫। ই-মেইল : [email protected], [email protected]
🔝
close
অনুসরণ করুন
     
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ মজিবুর রহমান চৌধুরী
স্বদেশ গ্লোবাল মিডিয়া লিমিটেড -এর পক্ষে প্রকাশক কর্তৃক সিটি পাবলিশিং লি, আর কে মিশন রোড, ঢাকা-১২০৩ থেকে মুদ্রিত ও ১০, তাহের টাওয়ার, গুলশান সার্কেল-২ থেকে প্রকাশিত।
ফোন: ৯৮৫১৬২০, ৮৮৩২৬৪-৬, ফ্যাক্স: ৮৮০-২-৯৮৯৩২৯৫। ই-মেইল : [email protected], [email protected]
🔝
close