
সংগৃহীত ছবি
বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, “চক্রান্ত, ষড়যন্ত্র এখনো থেমে নেই। পাশের দেশ যখনই দেখেছে ড. ইউনূস ও তারেক রহমানের বৈঠক হয়েছে, তখন আমাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নামে অসংখ্য কুৎসা ও অপ্রপ্রচার সেখান থেকে চালু হচ্ছে। তাদের পুনর্বাসনের জন্য আজকে ভারতের নীতি-নির্ধারকরা নানা প্রচেষ্টা চালাচ্ছে। আমাদের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার তো আন্দোলনের ফসল।”
আজ শুক্রবার (২০ জুন) দুপুরে পাবনার চাটমোহরে তিনি এসব কথা বলেন। আজ উপজেলা বিএনপির সাবেক সহ সভাপতি আবু তাহেরকে দেখতে যান রিজভী।
প্রসঙ্গত, তারেক রহমানের নির্দেশনায় ‘আমরা বিএনপি পরিবারের’ পক্ষ থেকে পৌর শহরের আফ্রাতপাড়া মহল্লার প্রবীণ বিএনপি নেতা ও উপজেলা বিএনপির সাবেক সহ সভাপতি আবু তাহেরকে (তাহের ঠাকুর) দেখতে সেখানে যান রুহুল কবির রিজভী। এ সময় আবু তাহেরের হাতে চিকিৎসার জন্য আর্থিক অনুদান তুলে দেন তিনি।
অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেন, “১৬ বছরের নিরন্তর আন্দোলন ও জুলাই-আগস্টের রক্তঝরা আন্দোলনের মধ্য দিয়ে শেখ হাসিনার পতন হয়েছে। এ পতনটা তারা সহ্য করতে পারছে না।”
রুহুল কবির রিজভী বলেন, “বাংলাদেশের যে রাজনৈতিক দল ১৬ বছর মানুষের ওপর নির্যাতন-নিপিড়ন করেছে, জনগণের টাকা লুট করে পাচার করেছে। যাদের বাড়িঘর এখন দুবাই, কানাডা, সিডনি, অস্ট্রেলিয়া, মালয়েশিয়া- তারা বেহেশতের সুখ লাভ করে সেখানে অবস্থান করছেন। যারা বেশিদূর যেতে পারেননি তারা পাশের দেশে আশ্রয় নিয়েছেন।”
তিনি বলেন, “১৮ কোটি মানুষের দেশ বাংলাদেশ। পৃথিবীর যত বড়ই শক্তিধর দেশ হোক! তারা যদি মনে করে এদের আমরা নিয়ন্ত্রণে রাখব, বশে রাখব, এদের আমরা দমিয়ে রাখব, এদের ওপর আমরা মাতবরি করবো! তা বাংলাদেশের মানুষ কোনো দিনই সহ্য করেনি, এখনো করবে না।”
তিনি আরো বলেন, “এ আন্দোলনের যিনি প্রধান পৃষ্ঠপোষক, যিনি পুরো জাতিকে সংগঠিত করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে তারা টার্গেট করেছে। ১৬ বছর ধরে তাকে টার্গেট করে রেখেছিল। বাংলাদেশের বিভিন্ন মিডিয়াকে নিয়ন্ত্রণ করে তারেক রহমানের বিরুদ্ধে অপপ্রচার করেছে। তাদের যারা মেন্টর, গুরু এখন তাদের দিয়ে তারেক রহমানের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছেন।”
এসময় বিএনপির প্রতিনিধি দলে উপস্থিত ছিলেন, বিএনপির কেন্দ্রীয় তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সহ-সম্পাদক সাইফ আলী খান, ‘আমরা বিএনপি পরিবারের’ উপদেষ্টা ইঞ্জিনিয়ার মোস্তফা-ই জামান সেলিম, সংগঠনটির সদস্য সচিব কৃষিবিদ মোকছেদুল মোমিন মিথুন, জাতীয় প্রেস ক্লাবের স্থায়ী সদস্য জাহিদুল ইসলাম রনি, জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সাবেক সহ-সভাপতি জামিল হোসেন, ‘আমরা বিএনপি পরিবারের’ সদস্য মোস্তাকিম বিল্লাহ, ফরহাদ আলী সজীব ও রুবেল আমিন।
আরো উপস্থিত ছিলেন, পাবনা জেলা বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট খন্দকার মাকসুদুর রহমান মাসুদ, যুগ্ম আহ্বায়ক আনিসুল হক বাবু, চাটমোহর পৌর বিএনপির সভাপতি আসাদুজ্জামান আরশেদ, সাধারণ সম্পাদক তৌহিদুল ইসলাম তাইজুল, সাংগঠনিক সম্পাদক জিয়ারুল হক সিন্টু, জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংগঠনিক সম্পাদক মশিউর রহমান মহান, ঢাকা কলেজ ছাত্রদল নেতা আবদুল্লাহ মিসবাহ, ছাত্রদলের সাবেক নেতা শাহরিয়ার আলম জর্জ, বিএনপি নেতা সিরাজুল ইসলাম, পাবনা সরকারি এডওয়ার্ড কলেজের ছাত্রদল নেতা আশরাফুল ইসলামসহ স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা।