প্রকাশ: রবিবার, ১৫ জুন, ২০২৫, ৯:০০ পিএম আপডেট: ১৫.০৬.২০২৫ ৯:৩৫ PM

লক্ষীপুর জেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা নাজমুল হাসান
ঈদুল আজহার লম্বা ছুটিতে মানুষ যখন জরুরি চিকিৎসা সেবা নিয়ে দ্বিধাদ্বন্দ্বে ছিলো তখন জেলার পরিবার পরিকল্পনার কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ ছুটি ভোগ করেননি। তারা প্রদান করে গিয়েছেন জরুরি চিকিৎসা।
লক্ষীপুরের পরিবার পরিকল্পনার এই কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ চিকিৎসা সেবার ব্রত নিয়ে জরুরি অবস্থায় সন্তান প্রসব করান ৯৩ জন মায়ের
এবং ৩২৬ জন জরুরী রোগীর চিকিৎসা সেবা প্রদান করে প্রশংসা কুড়িয়েছেন
সর্বমহলের। যেখানে অফিস খোলার দিনেও কোন কোন বিভাগ মানুষ কাঙ্ক্ষিত সেবা পেতে
বিড়ম্বনার শিকার হয়, সেখানে জেলা পরিবার পরিকল্পনা সেবায় সন্তুষ্ট হয়েছেন
মফস্বলের প্রসূতি মায়েরা।
সদর উপজেলার কুশাখালী ইউনিয়ের হামিদা খাতুন বলেন, “আলট্রাসোনোগ্রামের রিপোর্ট অনুযায়ী আমার সন্তান প্রসবের তারিখ ছিল চলতি মাসের ১৬ তারিখ। কিন্তু হঠাৎ ঈদের পরদিন আমার প্রসব ব্যাথা উঠে। এ সময় আমার স্বামী বাড়িতে ছিলো না এবং আমরা গরীব মানুষ হওয়ায় হটাৎ ডেলিভারি নিয়ে হতাশ হয়ে পড়ি। পরে আমার আত্মীয়-স্বজনরা এখানকার পরিবার পরিকল্পনা হাসপাতাল নিয়ে গেলে উনারা খুবই আন্তরিকতার সাথে আমার সন্তান প্রসব করান।”
জেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা নাজমুল হাসান স্বদেশ প্রতিদিন কে বলেন, “ঈদুল আজহার ১০ দিনের লম্বা ছুটিতে মানুষ যখন দ্বিধা এবং হতাশায় ভোগে (বিশেষ করে মফস্বল এলাকার গর্ভবতী মায়েরা) তখন আমাদের জেলা সদর সহ অন্যান্য উপজেলা এবং ইউনিয়ন অফিসের অধিকাংশ কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ ঈদের ছুটি ভোগ না করে রোগীদের চিকিৎসা সেবায় এগিয়ে আসেন।”
তিনি আরো বলেন, “এ ঈদের ছুটিতে জেলায় মোট এ, এন সি ৩৪৭, ডেলিভারি ৯৩, পিএনসি ১৩৯ এবং ৩২৬ জন সাধারণ রোগীকে চিকিৎসা সেবা প্রদান করেছি। আমরা আমাদের জনবলের স্বল্পতা থাকা সত্ত্বেও রোগীদেরকে সর্বোচ্চ সেবা প্রদানে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”