প্রকাশ: সোমবার, ৫ মে, ২০২৫, ৮:৫৭ পিএম

এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার উত্তরপত্র মূল্যায়নের ক্ষেত্রে শিক্ষকরা যদি স্ত্রী, সন্তান, ভাই-বোন বা শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত করেন, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে দুই বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড, কিংবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করার বিধান রয়েছে।
সোমবার (৫ মে) আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি এবং ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান স্বাক্ষরিত একটি ‘অতীব জরুরি’ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এসএসসি পরীক্ষার উত্তরপত্র মূল্যায়নের কাজ চলাকালে গোপন সূত্রে পাওয়া অভিযোগের ভিত্তিতে এ সতর্কতা দেওয়া হয়েছে।
চিঠিতে বলা হয়েছে, পরীক্ষার উত্তরপত্র একটি অত্যন্ত গোপনীয় নথি, যা প্রধান পরীক্ষক বা নির্ধারিত পরীক্ষকের কাছে একটি আমানত হিসেবে থাকে। পরীক্ষকের দায়িত্ব অন্য কাউকে — যেমন স্ত্রী, ছেলে-মেয়ে, ভাই-বোন বা শিক্ষার্থী — দিয়ে বৃত্ত ভরাট বা খাতা মূল্যায়নের দায়িত্ব অর্পণ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়, ১৯৮০ সালের ‘পরীক্ষা পরিচালনা সংক্রান্ত আইন’-এর ৪২ নম্বর ধারা অনুযায়ী, উত্তরপত্র তৃতীয় পক্ষ দিয়ে মূল্যায়নের চেষ্টা বা সম্পাদন একটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এই ধরনের অপরাধে দোষী প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির দুই বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ড হতে পারে।
বিজ্ঞপ্তিতে সব পরীক্ষককে এ বিষয়ে সতর্ক ও দায়িত্বশীল থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে। পরীক্ষার স্বচ্ছতা ও ন্যায়সংগত মূল্যায়ন নিশ্চিত করতে উত্তরপত্রের গোপনীয়তা বজায় রাখা জরুরি বলে উল্লেখ করা হয়।
স্বদেশ প্রতিদিন/এনআর