প্রকাশ: রবিবার, ৪ মে, ২০২৫, ১০:২৮ পিএম

দেশীয়ভাবে উৎপাদিত তুলাকে কৃষিপণ্য হিসেবে স্বীকৃতি দিতে যাচ্ছে সরকার। দেশের টেক্সটাইল শিল্পে তুলার চাহিদা মেটাতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সূত্রে জানা গেছে, আগামী মঙ্গলবার (৬ মে) উপদেষ্টা পরিষদের সভায় কৃষি মন্ত্রণালয় এ প্রস্তাব অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করবে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, বহু প্রতীক্ষিত এই স্বীকৃতি তুলা চাষিদের জন্য প্রয়োজনীয় আর্থিক সহায়তার পথ উন্মুক্ত করবে এবং পরিত্যক্ত বা অনাবাদী জমিতে তুলার চাষ বাড়িয়ে এই খাতকে ত্বরান্বিত করবে।
তুলা উন্নয়ন বোর্ডের (সিডিবি) নির্বাহী পরিচালক মো. ফাখরে আলম ইবনে তাবিব জানান, বাংলাদেশের তুলার চাহিদার বড় একটি অংশ আমদানির মাধ্যমে পূরণ করা হয়, যা বৈদেশিক মুদ্রার ওপর চাপ তৈরি করছে এবং শ্রমনির্ভর টেক্সটাইল শিল্পকে ভূ-রাজনৈতিক ঝুঁকিতে ফেলছে।
বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশনের (বিটিএমএ) তথ্য অনুযায়ী, দেশের বার্ষিক তুলার চাহিদা প্রায় ৮৫ লাখ বেল।
ফাখরে আলম বলেন, চরের জমি, বরেন্দ্র অঞ্চল, পাহাড়ি এলাকা এবং নির্দিষ্ট কিছু ফলের বাগানকে তুলা চাষের আওতায় আনা হবে, যাতে খাদ্য উৎপাদন বাধাগ্রস্ত না হয়। তুলাকে কৃষিপণ্যের স্বীকৃতি দিলে, কৃষকরা অন্যান্য আমদানি-বিকল্প ফসলের মতো মাত্র ৪% সুদে ভর্তুকিযুক্ত কৃষিঋণ নিতে পারবেন। “তুলা চাষ বাড়াতে কৃষকদের প্রণোদনা প্রয়োজন।
এদিকে এই সিদ্ধান্তে খুশি সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষ। বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি গ্রামীণ অর্থনীতি, কৃষি ও দেশের অন্যতম অর্থনৈতিক খাত—টেক্সটাইল শিল্পে বহুমাত্রিক ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
স্বদেশ প্রতিদিন/এনআর