প্রকাশ: বুধবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২৫, ৫:২৫ পিএম আপডেট: ২৩.০৪.২০২৫ ৫:২৮ PM

‘শব্দদূষণও এক ধরনের সহিংসতা’, এমন মন্তব্য করে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় এবং পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, ‘শব্দদূষণ রোধে আমাদের ‘লাউড কালচারের’ বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।’
আজ মঙ্গলবার (২৩ এপ্রিল) আগারগাঁওয়ের পরিবেশ অধিদপ্তরে শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে আয়োজিত এক পরামর্শমূলক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। কর্মশালাটির আয়োজন করা হয় শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে ‘সমন্বিত ও অংশীদারিত্বমূলক প্রকল্পের ৩য় সংশোধনীতে উপযুক্ত কার্যক্রম নির্ধারণ’ বিষয়কে সামনে রেখে।
রিজওয়ানা হাসান বলেন, ‘উচ্চস্বরে চিৎকার, অতিরিক্ত হর্ন বাজানো কিংবা সীমার বাইরে মাইক ব্যবহার-এসব শুধু আইন লঙ্ঘন নয়, এগুলো আচরণগত অবক্ষয়ের পরিচায়ক। এই অভ্যাস বদলাতে হলে প্রয়োজন গণসচেতনতা।’
তিনি আরও বলেন, ‘বিমানবন্দর, হাসপাতাল, স্কুলের মতো নীরব এলাকা বা সাইলেন্ট জোনে শব্দদূষণ রোধে আইনের কঠোর প্রয়োগ জরুরি। পাশাপাশি জনগণকে জানাতে হবে-অপ্রয়োজনীয় শব্দ অন্যের জন্য ক্ষতিকর।’
প্রত্যেক যানবাহন ব্যবহারকারীর সচেতনতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, ‘আপনার হর্ন, আপনার গান-অন্যের শরীর ও মনের ক্ষতি করতে পারে। আমাদের এখনই ব্যবস্থা নিতে হবে।’
কর্মশালায় বিশেষ অতিথি ছিলেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. ফারহিনা আহমেদ ও অতিরিক্ত সচিব (উন্নয়ন) মো. খায়রুল হাসান। সভাপতিত্ব করেন পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. কামরুজ্জামান।
সভায় নীতিনির্ধারক, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতিনিধি, পরিবেশবিদ ও সিভিল সোসাইটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে বেশ কিছু বাস্তবভিত্তিক সুপারিশ কর্মশালায় উঠে আসে, যা প্রকল্পের ভবিষ্যৎ কার্যক্রমে অন্তর্ভুক্ত করা হবে।
স্বদেশ প্রতিদিন/এমএম