রবিবার ● ৮ নভেম্বর ২০২৬
   
শিরোনাম:
● কুড়িগ্রামে গণপ্রকৌশল দিবস ও আইডিইবির ৫৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন      ● মাদারগঞ্জে বাম্পার ফলনেও মুখে হাসি নেই কৃষকের, মরিচের দামে বিপর্যয়      ● মাকে সাথে নিয়ে নিজ এলাকায় শেখ হাসিনার আগমন উপলক্ষে স্বাগত মিছিল করলেন ছাত্রলীগ নেতা      ● শুভর মিউজিক ভিডিওতে মডেল বৃষ্টি      ● এনসিপিতে ভাঙনের সুর      ● থমকে গেছে নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাত      ● জামানতের ভুয়া মূল্যায়নে বন্ধ হচ্ছে ঋণের দরজা      ● যেকোনো মূল্যে দেশের সার্বভৌমত্ব এবং মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষা করব : প্রধানমন্ত্রী      ● ২৪ ঘণ্টার অভিযানে ঢাকায় ৫৫৫ জন গ্রেপ্তার      ● রাজধানীতে ট্রাক-মাইক্রোবাস সংঘর্ষে শিশুসহ আহত ৩      ● ঘুম থেকে উঠার পর শুকিয়ে যাচ্ছে মুখ, যে সংকেত দিচ্ছে শরীর      ● ‘সরকারকে যারা ব্যর্থ করতে চাইবে, তাদেরকেই ব্যর্থ করে দেওয়া হবে’      
মাদারগঞ্জে বাম্পার ফলনেও মুখে হাসি নেই কৃষকের, মরিচের দামে বিপর্যয়
মোছা. মাহমুদা, মাদারগঞ্জ (জামালপুর)
প্রকাশ: রবিবার, ৮ নভেম্বর, ২০২৬, ১:৩৫ পিএম

জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলায় চলতি মৌসুমে ১ হাজার ৫০ হেক্টর জমিতে মরিচের আবাদ হয়েছে। ফলনও হয়েছে বাম্পার। মৌসুমের শুরুতে লাভের আশায় বুক বেঁধেছিলেন কৃষকেরা। তবে বাজারে মরিচের দাম কমে যাওয়ায় এখন তাদের মুখে হাসি নেই। পাইকারি বাজারে প্রতি কেজি কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ১৭ থেকে ১৮ টাকায়। অথচ কয়েক দফা হাতবদলের পর একই মরিচ স্থানীয় খুচরা বাজারে বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকায়। উৎপাদন খরচ তুলতে না পেরে লোকসানের আশঙ্কায় দিন কাটছে কৃষকদের। অন্যদিকে বেশি দামে মরিচ কিনতে হচ্ছে ভোক্তাদের।

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে মাদারগঞ্জ উপজেলায় ৭৫০ হেক্টর জমিতে মরিচ চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল। তবে লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে এবার ১ হাজার ৫০ হেক্টর জমিতে মরিচের আবাদ হয়েছে। অর্থাৎ লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৩০০ হেক্টর বেশি জমিতে মরিচ চাষ করেছেন কৃষকেরা।

উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ময়নামতি, গ্রিন সুপার, নাগা ফায়ার, বিজলি, গ্রিন স্টার, সুপার ও প্রিমিয়ামসহ বিভিন্ন জাতের মরিচের আবাদ হয়েছে। ফলন ভালো হলেও উৎপাদন খরচের তুলনায় বাজারদর অনেক কম। এ অবস্থা চলতে থাকলে আগামী মৌসুমে মরিচ চাষে আগ্রহ হারাতে পারেন অনেক কৃষক।

জোড়খালী ইউনিয়নের ফুলজোড় এলাকার কৃষক তাহেরুল ইসলাম বলেন, এক বিঘা জমিতে মরিচ চাষ করতে তার প্রায় ৩০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। অনেকের খরচ এর চেয়েও বেশি। তিনি বলেন, বাজারে মরিচের যে দাম, তাতে সার-বিষের টাকাই উঠবে না। এত কষ্ট করে ফসল ফলিয়েও এখন লোকসানের চিন্তায় আছি।
একই এলাকার আরেক কৃষক আমজাদ হোসেন বলেন, পাইকারি বাজারে প্রতি কেজি কাঁচা মরিচ ১৭ থেকে ১৮ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অথচ খুচরা বাজারে সেই মরিচই বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকা কেজি দরে।

বালিজুড়ী ইউনিয়নের সুখনগরী এলাকার কৃষক বেলাল ফকির বলেন, মরিচের ফলন ভালো হলেও বাজারে দাম কম। উৎপাদন খরচ উঠবে কি না, তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছেন তিনি।
একই এলাকার কৃষক জহুরুল খান বলেন, এক বিঘা জমিতে মরিচ চাষ করতে তার প্রায় ২৫ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। অথচ এ পর্যন্ত মরিচ বিক্রি করে পেয়েছেন মাত্র সাড়ে ৩ হাজার টাকা।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা হাবিবুর রহমান বলেন, চলতি মৌসুমে উপজেলায় কাঁচা মরিচের ভালো ফলন হয়েছে। উৎপাদন ৪২ হাজার মেট্রিক টন ছাড়িয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে দেশের বিভিন্ন জেলায় মরিচ সরবরাহ করা হচ্ছে। তবে বর্তমানে মরিচের দাম কিছুটা কম। কিছুদিনের মধ্যেই কাঁচা মরিচের দাম বাড়বে এবং কৃষকেরা লাভবান হবেন বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।


আরও সংবাদ   বিষয়:  দামে বিপর্যয়  






Loading...
Loading...
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ  
অনুসরণ করুন
     
সম্পাদক মণ্ডলীর সভাপতি : ড. এম এ কাইয়ুম, সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ মজিবুর রহমান চৌধুরী
স্বদেশ গ্লোবাল মিডিয়া লিমিটেড -এর পক্ষে প্রকাশক কর্তৃক সিটি পাবলিশিং লি, আর কে মিশন রোড, ঢাকা-১২০৩ থেকে মুদ্রিত ও ১০, তাহের টাওয়ার, গুলশান সার্কেল-২ থেকে প্রকাশিত।
ফোন: ৯৮৫১৬২০, ৮৮৩২৬৪-৬, ফ্যাক্স: ৮৮০-২-৯৮৯৩২৯৫। ই-মেইল : [email protected], [email protected]
🔝
close