প্রকাশ: রবিবার, ১১ অক্টোবর, ২০২৬, ৩:৪৮ পিএম

৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালন এবং এ উপলক্ষে ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবস উদযাপন বা পালনসংক্রান্ত নতুন পরিপত্রে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়েছে।
রোববার (১১ অক্টোবর) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এ-সংক্রান্ত পরিপত্র জারি করে। এতে গত ১১ মার্চ জারি করা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবস উদযাপন বা পালনসংক্রান্ত আগের পরিপত্রটি বাতিল করা হয়েছে।
দিবস পালনে নতুন নির্দেশনা
নতুন পরিপত্রে জাতীয় পর্যায়ের উৎসব ছাড়া সাধারণভাবে বিভিন্ন দিবস পালনের ক্ষেত্রে কয়েকটি নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, দিবস পালনে সাজসজ্জা ও বড় ধরনের বিচিত্রানুষ্ঠান যথাসম্ভব পরিহার করতে হবে।
রেডিও ও টেলিভিশনে আলোচনা এবং সীমিত পরিসরে সেমিনার বা সিম্পোজিয়ামের আয়োজন করা যাবে। তবে কর্মদিবসে সমাবেশ বা শোভাযাত্রা আয়োজন থেকে বিরত থাকতে হবে।
কোনো সপ্তাহ পালনের ক্ষেত্রে অনুষ্ঠানসূচি সাধারণত তিন দিনের মধ্যে সীমিত রাখতে হবে। সরকারি কর্মসূচির কারণে যেন দাপ্তরিক কাজে ব্যাঘাত না ঘটে, তা নিশ্চিত করতে হবে। আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ছুটির দিনে অথবা অফিস সময়ের পরে আয়োজনের চেষ্টা করতে বলা হয়েছে।
সরকারি ব্যয় সাশ্রয়ে গুরুত্ব
পরিপত্রে বলা হয়েছে, নগদ অর্থ বা উপকরণ ব্যয়ের প্রয়োজন হবে না—এমন সাধারণ অনুষ্ঠান ছুটির দিন কিংবা কর্মদিবসে আয়োজন করা যাবে।
কোনো দিবস বা সপ্তাহ পালন উপলক্ষে রাজধানীর বাইরে কিংবা জেলা পর্যায় থেকে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ঢাকায় আনা যথাসম্ভব পরিহার করতে হবে।
সরকারি ব্যয় সাশ্রয়ের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে একই ধরনের জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবস পালনের ক্ষেত্রেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলোকে আন্তর্জাতিক দিবস উদযাপনকে প্রাধান্য দিয়ে সমধর্মী দিবসগুলো একই তারিখে একত্রে পালনের ব্যবস্থা করতে হবে।
প্রযোজ্য ক্ষেত্রে এ-সংক্রান্ত সারসংক্ষেপ মন্ত্রিসভার বৈঠকে উপস্থাপনের জন্য মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠাতে হবে।
পরিপত্রে এসব সিদ্ধান্ত যথাযথভাবে বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থাকে অনুরোধ জানিয়েছে সরকার।
স্বদেশ প্রতিদিন/এফএইচ