প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:৪১ AM

বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যকার বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও জোরদার ও বহুমাত্রিক করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান। তিনি বলেছেন, দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে এবং ভবিষ্যতে এ সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হবে বলে তিনি আশাবাদী।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর গুলশান ক্লাবে ‘বাংলাদেশ-চীন সাংস্কৃতিক অর্থনৈতিক ও গণসংযোগ কেন্দ্র’-এর উদ্যোগে আয়োজিত ‘চীনের জাতীয় দিবস’ উদযাপন ও বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের বিদায়ী রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের বিদায়ী সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ড. আবদুল মঈন খান বলেন, চীন বাংলাদেশের পরীক্ষিত বন্ধু। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের সঙ্গে চীনের সম্পর্ককে অত্যন্ত গুরুত্ব দিতেন। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বিদ্যমান এবং ভবিষ্যতে এই সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার সুযোগ রয়েছে।
চীনের বিদায়ী রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের বিদায়ে দুঃখ প্রকাশ করে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে প্রায় চার বছর দায়িত্ব পালনকালে রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাংলাদেশকে অব্যাহতভাবে সহযোগিতা করেছেন। তাঁর অবদান বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ককে আরও এগিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যকার বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে সামনে আরও এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ আগ্রহী। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে আগামী দিনে বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক আরও নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে বলেও তিনি প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম এবং সম্মানিত অতিথি হিসেবে বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের বিদায়ী রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানটি বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যকার দীর্ঘদিনের কূটনৈতিক ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের গুরুত্ব তুলে ধরার পাশাপাশি দুই দেশের ভবিষ্যৎ সহযোগিতাকে আরও বিস্তৃত করার প্রত্যাশার কথা সামনে আনে।
স্বদেশ প্রতিদিন/এস পি