প্রকাশ: রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:২৯ পিএম

পটুয়াখালী সদর উপজেলার কলাপাড়া-পটুয়াখালী মহাসড়কে যাত্রীবাহী বাসের চাপায় অটোরিকশায় থাকা মা-মেয়েসহ চারজন নিহত হয়েছেন। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ১১টার দিকে বসাক বাজারসংলগ্ন ধলুগাজীর মোড়ে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এতে বাসে থাকা অন্তত ১০ যাত্রী আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
নিহতরা হলেন গলাচিপা উপজেলার গোলবুনিয়া ইউনিয়নের গাবুয়া গ্রামের জাহাঙ্গীর হাওলাদার (৪০), একই উপজেলার আমখোলা ইউনিয়নের চারআনি বাউড়িয়া গ্রামের শিল্পী রানী (৪০), তাঁর মেয়ে বিথি রানী (২৩) এবং অটোরিকশাচালক আবদুল কাইয়ুম প্যাদা (৫০)।
পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বরগুনার তালতলী উপজেলা থেকে ইমরান ট্রাভেলসের একটি যাত্রীবাহী বাস ঢাকার উদ্দেশে যাচ্ছিল। পটুয়াখালী শহর থেকে প্রায় সাত কিলোমিটার দূরে বসাক বাজারসংলগ্ন ধলুগাজীর মোড়ের একটি বাঁক অতিক্রম করার সময় বিপরীত দিক থেকে একটি অটোরিকশাও ওই স্থান দিয়ে যাচ্ছিল।
এ সময় বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে অটোরিকশাটিকে চাপা দেয়। পরে বাসটি সড়কের পাশের খাদে গিয়ে উল্টে যায়।
দুর্ঘটনার খবর পেয়ে স্থানীয় বাসিন্দা ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছান। তাঁরা অটোরিকশা থেকে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করেন। গুরুতর আহত অটোরিকশাচালক আবদুল কাইয়ুম প্যাদাকে পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে রাত সাড়ে ১২টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।
নিহত শিল্পী রানীর প্রতিবেশী আবদুল কাউয়ুম জানান, শিল্পী ও তাঁর মেয়ে শনিবার বিকেলে চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার জন্য পটুয়াখালী জেলা শহরে এসেছিলেন। রাতে অটোরিকশায় করে বাড়িতে ফেরার পথেই দুর্ঘটনার শিকার হন তাঁরা।
পটুয়াখালী ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের কর্মকর্তা মো. রেজওয়ান জানান, খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করে হাইওয়ে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে। দুর্ঘটনায় আহত কয়েকজনকেও উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়।
পটুয়াখালী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান জানিয়েছেন, দুর্ঘটনাকবলিত বাসটি উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
স্বদেশ প্রতিদিন/এস পি