বৃহস্পতিবার ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
   
শিরোনাম:
২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু      পরিকল্পিতভাবে কাজ করলে গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটের সমাধান সম্ভব      যুবসমাজকে মাদকের গ্রাস থেকে রক্ষায় সর্বোচ্চ গুরুত্ব: সাচিং প্রু      সনদের পাশাপাশি বাস্তবমুখী দক্ষতা অর্জন জরুরি: শ্রমমন্ত্রী      ৮ মাসে পেরিয়ে গেলেও ফরেনসিক প্রতিবেদন পাওয়া জায় নেই      বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের বিক্ষোভ মিছিল-সমাবেশ       একাদশের শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন      ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে প্রাণ গেল আরও ৮ জনের      শরণখোলায় আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে বিএনপির বিক্ষোভ      রৌমারীতে উপজেলা কাব ক্যাম্পুরীর উদ্বোধন      কপোতাক্ষে মিলল ভ্যানচালক ইখলাসের মরদেহ      টাঙ্গাইল সেতুর প্রকৌশলীকে স্ট্যান্ড রিলিজ      
অতিরিক্ত শব্দে যেভাবে ধীরে ধীরে কমছে শ্রবণশক্তি
স্বদেশ ডেস্ক
প্রকাশ: সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৪৬ পিএম

অতিরিক্ত শব্দের সংস্পর্শে দীর্ঘ সময় থাকলে ধীরে ধীরে কানের শ্রবণকোষ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। এর ফলে শ্রবণশক্তি কমে যায়, যা চিকিৎসাবিজ্ঞানে শব্দ-প্ররোচিত শ্রবণশক্তি হ্রাস হিসেবে পরিচিত।

কারখানার ভারী যন্ত্রপাতি, নির্মাণকাজ ও উচ্চ শব্দের সরঞ্জাম থেকে এ ধরনের শব্দের সৃষ্টি হতে পারে। পাশাপাশি মাইকের ব্যবহার, শুটিং, ডিস্কো, ব্যক্তিগত স্টেরিও এবং গাড়ির অতিরিক্ত হর্নও শব্দদূষণের অন্যতম উৎস।

দীর্ঘ সময় কর্মক্ষেত্রে উচ্চ শব্দের সংস্পর্শে থাকলে পেশাগত শ্রবণশক্তি হ্রাসের ঝুঁকি তৈরি হয়। যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রে আট ঘণ্টার কর্মদিবসের জন্য ৯০ ডেসিবল শব্দমাত্রাকে গ্রহণযোগ্য সীমা হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তবে শব্দের তীব্রতা ও এক্সপোজারের সময়ের ওপর ঝুঁকির মাত্রা নির্ভর করে।

যেভাবে কানের ক্ষতি করে

৯০ ডেসিবলের বেশি শব্দ কানের ভেতরের কক্লিয়ায় পরিবর্তন ঘটাতে পারে। শুরুতে কক্লিয়ায় বিপাকীয় ক্লান্তি দেখা দেয়। দীর্ঘ সময় ধরে বা বারবার উচ্চ শব্দের সংস্পর্শে এলে কানের বাইরের হেয়ার কোষগুলো ধীরে ধীরে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

কক্লিয়ার ভেতরে সারিবদ্ধভাবে থাকা এসব হেয়ার কোষ পর্যায়ক্রমে নষ্ট হতে থাকে। প্রথমে বাইরের দিকের কোষ, পরে আরও ভেতরের কোষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। দীর্ঘমেয়াদে এর প্রভাব শ্রবণশক্তি হ্রাস বা বধিরতায় রূপ নিতে পারে।

কী কী লক্ষণ দেখা দিতে পারে

অতিরিক্ত শব্দের সংস্পর্শের পর সাময়িকভাবে শ্রবণশক্তি কমে যেতে পারে, যাকে অস্থায়ী থ্রেশহোল্ড শিফট (টিটিএস) বলা হয়। এ সময় কানে ঝিঁঝিঁ বা শোঁ শোঁ শব্দও হতে পারে।

অন্যদিকে স্থায়ী থ্রেশহোল্ড শিফট (পিটিএস) অনেক সময় কোনো স্পষ্ট উপসর্গ ছাড়াই ধীরে ধীরে শ্রবণশক্তি কমিয়ে দেয়। ফলে কথা বোঝার ক্ষমতাও কমতে পারে। বাইরে থেকে কানের পর্দা স্বাভাবিক দেখা গেলেও বিভিন্ন শ্রবণ পরীক্ষা করলে সমস্যা শনাক্ত করা সম্ভব।

প্রতিরোধে করণীয়

শব্দদূষণ থেকে শ্রবণশক্তি রক্ষায় অতিরিক্ত শব্দযুক্ত পরিবেশ যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলা জরুরি। উচ্চ শব্দের এলাকায় কাজ করতে হলে ইয়ারপ্লাগ বা উপযুক্ত শ্রবণ সুরক্ষা সরঞ্জাম ব্যবহার করা যেতে পারে।

এ ছাড়া গাড়ির অপ্রয়োজনীয় হর্ন, অতিরিক্ত মাইক ব্যবহারসহ শব্দদূষণের উৎসগুলো নিয়ন্ত্রণে সরকারি বিধিমালা কার্যকরভাবে প্রয়োগের প্রয়োজন রয়েছে। ব্যক্তিগত সচেতনতার পাশাপাশি সম্মিলিত উদ্যোগই শব্দদূষণজনিত শ্রবণশক্তি হ্রাসের ঝুঁকি কমাতে পারে।





স্বদেশ প্রতিদিন/এফএইচ


আরও সংবাদ   বিষয়:  শব্দদূষণ শ্রবণশক্তি বধিরতা  






Loading...
Loading...
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ  
অনুসরণ করুন
     
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ মজিবুর রহমান চৌধুরী
স্বদেশ গ্লোবাল মিডিয়া লিমিটেড -এর পক্ষে প্রকাশক কর্তৃক সিটি পাবলিশিং লি, আর কে মিশন রোড, ঢাকা-১২০৩ থেকে মুদ্রিত ও ১০, তাহের টাওয়ার, গুলশান সার্কেল-২ থেকে প্রকাশিত।
ফোন: ৯৮৫১৬২০, ৮৮৩২৬৪-৬, ফ্যাক্স: ৮৮০-২-৯৮৯৩২৯৫। ই-মেইল : [email protected], [email protected]
🔝
close
অনুসরণ করুন
     
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ মজিবুর রহমান চৌধুরী
স্বদেশ গ্লোবাল মিডিয়া লিমিটেড -এর পক্ষে প্রকাশক কর্তৃক সিটি পাবলিশিং লি, আর কে মিশন রোড, ঢাকা-১২০৩ থেকে মুদ্রিত ও ১০, তাহের টাওয়ার, গুলশান সার্কেল-২ থেকে প্রকাশিত।
ফোন: ৯৮৫১৬২০, ৮৮৩২৬৪-৬, ফ্যাক্স: ৮৮০-২-৯৮৯৩২৯৫। ই-মেইল : [email protected], [email protected]
🔝
close