
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, বাংলাদেশের কোনো গোষ্ঠী বা সম্প্রদায়কে ‘সংখ্যালঘু’ হিসেবে চিহ্নিত করা উচিত নয়। দেশের সব নাগরিকের সমান অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরে কেন্দ্রীয় জন্মাষ্টমী শোভাযাত্রার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। মহানগর সার্বজনীন পূজা কমিটি ও বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ মন্দির প্রাঙ্গণে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
‘প্রথম পরিচয় আমরা সবাই বাংলাদেশি’
সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, বাংলাদেশের মানুষের প্রথম ও প্রধান পরিচয় হওয়া উচিত—তারা সবাই বাংলাদেশি। ধর্মীয়, সামাজিক কিংবা জাতিগত পরিচয় তার পরের বিষয়।
তিনি বলেন, সরকার এমন একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, যেখানে সব নাগরিক সমান মর্যাদা, অধিকার ও নিরাপত্তা পাবেন।
‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতির ওপর জোর
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, দেশের নেতৃত্বের পক্ষ থেকে স্পষ্টভাবে ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতির কথা বলা হয়েছে। বাংলাদেশকে সবার আগে রাখলে প্রত্যেক নাগরিকের পরিচয়ও প্রথমে বাংলাদেশি।
‘ভোট ব্যাংক’ রাজনীতির সমালোচনা
অতীতের রাজনৈতিক চর্চার সমালোচনা করে সালাহউদ্দিন বলেন, কোনো কোনো সময়ে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের ‘ভোট ব্যাংক’ হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে। তবে বাংলাদেশের মানুষ এ ধরনের ধারণাকে ভুল প্রমাণ করেছে।
সম্প্রীতির ভাষায় পরিবর্তনের আহ্বান
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ‘সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি’ শব্দটির পরিবর্তে ‘ধর্মীয় ও সামাজিক সম্প্রীতি, সহাবস্থান ও শান্তি’—এ ধরনের ভাষা ব্যবহারের আহ্বান জানান।
তিনি বলেন, সব ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মানুষের পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহাবস্থান এবং শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করাই একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশের অন্যতম ভিত্তি।
স্বদেশ প্রতিদিন/আরএম