বৃহস্পতিবার ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
   
শিরোনাম:
২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু      পরিকল্পিতভাবে কাজ করলে গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটের সমাধান সম্ভব      যুবসমাজকে মাদকের গ্রাস থেকে রক্ষায় সর্বোচ্চ গুরুত্ব: সাচিং প্রু      সনদের পাশাপাশি বাস্তবমুখী দক্ষতা অর্জন জরুরি: শ্রমমন্ত্রী      ৮ মাসে পেরিয়ে গেলেও ফরেনসিক প্রতিবেদন পাওয়া জায় নেই      বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের বিক্ষোভ মিছিল-সমাবেশ       একাদশের শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন      ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে প্রাণ গেল আরও ৮ জনের      শরণখোলায় আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে বিএনপির বিক্ষোভ      রৌমারীতে উপজেলা কাব ক্যাম্পুরীর উদ্বোধন      কপোতাক্ষে মিলল ভ্যানচালক ইখলাসের মরদেহ      টাঙ্গাইল সেতুর প্রকৌশলীকে স্ট্যান্ড রিলিজ      
জন্মের পরপরই মিলবে ‘এক-আইডি’: ৯,১৯৩ কোটি টাকার নতুন প্রকল্প
স্বদেশ ডেস্ক
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:৪৩ পিএম

দেশের সব নাগরিককে জন্মের পর পরই একটি একক স্থায়ী ও স্বতন্ত্র পরিচয়পত্র দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। ‘ইউনিফায়েড ডিজিটাল আইডেনটিটি’ বা ‘এক-আইডি’ নামের এই কার্ডটি নাগরিকের সারা জীবনের জন্য ব্যবহৃত হবে। স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও অন্যান্য সরকারি সেবা সহজ করতে এটি চালুর পরিকল্পনা করা হয়েছে।

এ লক্ষ্যে তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি (আইসিটি) বিভাগের অধীন বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল (বিসিসি) ‘ডিজিটাল সার্ভিস ট্রান্সফরমেশন ফর অ্যাকসেস অ্যান্ড রেজিলিয়েন্স’ বা ‘ডি-স্টার’ (D-STAR) শীর্ষক একটি প্রকল্প গ্রহণ করেছে। ২০২৬ থেকে ২০৩১ সাল মেয়াদে বাস্তবায়নের জন্য প্রস্তাবিত প্রকল্পটির অনুমোদনে ইতোমধ্যে পরিকল্পনা কমিশনে পাঠানো হয়েছে। তথ্য ও প্রযুক্তি বিভাগের সচিব মামুনুর রশীদ ভূঞা এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

বর্তমানে ১৮ বছর পূর্ণ হলে জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) দেওয়া হলেও নতুন ব্যবস্থায় কোনো বয়সের সীমা থাকছে না। জন্মের পরই শিশুদের এই কার্ড দেওয়া হবে। আইসিটি বিভাগের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ধীরে ধীরে এনআইডি, ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ডসহ বিদ্যমান সেবাগুলো এই এক-আইডির আওতায় আনা হবে।

আইসিটি উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ এই ধারণাকে ‘একজন নাগরিক, একটি ডিজিটাল পরিচয়, একটি ওয়ালেট’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। নতুন এই ব্যবস্থা তৈরিতে যুক্তরাষ্ট্র, সিঙ্গাপুর, এস্তোনিয়া ও ভারতের অভিজ্ঞতা বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে।


বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর জনশুমারি অনুযায়ী ১৮ কোটি নাগরিকের জন্য এই আইডি কার্ড তৈরি করা হবে, তবে সব মিলিয়ে কার্ড উৎপাদন ও মুদ্রণ হবে ২০ কোটি। প্রতিটি হাই-টেক ‘পলিকার্বোনেট চিপ কার্ড’ তৈরি ও মুদ্রণে দুই ডলার (প্রায় ২৪৬ টাকা) এবং বিতরণ ও সরবরাহে এক ডলার (প্রায় ১২৩ টাকা) খরচ হবে। অর্থাৎ প্রতিটি কার্ড বিতরণে মোট ব্যয় হবে প্রায় ৩৬৯ টাকা।

৯ হাজার ১৯৩ কোটি টাকার এই মেগা প্রকল্পের মধ্যে সরকার দেবে ৭ হাজার ৬৬৩ কোটি টাকা এবং বিশ্বব্যাংক ঋণ হিসেবে দেবে ১ হাজার ৫৩০ কোটি টাকা। প্রকল্পের সবচেয়ে বড় ব্যয় ধরা হয়েছে বায়োমেট্রিক তথ্য সংগ্রহ, কার্ড উৎপাদন, মুদ্রণ ও বিতরণে; যেখানে ৭ হাজার ৩৮০ কোটি টাকা খরচ হবে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, বিদ্যমান বিভিন্ন পরিচয়পত্রের ডাটাবেজের মধ্যে আন্তসংযোগ তৈরি করা গেলে নাগরিকদের তথ্য জমা দেওয়ার ভোগান্তি কমবে এবং সরকারি সেবা প্রদান প্রক্রিয়া আরও স্বচ্ছ ও গতিশীল হবে।


স্বদেশ প্রতিদিন/এফএইচএন






Loading...
Loading...
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ  
অনুসরণ করুন
     
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ মজিবুর রহমান চৌধুরী
স্বদেশ গ্লোবাল মিডিয়া লিমিটেড -এর পক্ষে প্রকাশক কর্তৃক সিটি পাবলিশিং লি, আর কে মিশন রোড, ঢাকা-১২০৩ থেকে মুদ্রিত ও ১০, তাহের টাওয়ার, গুলশান সার্কেল-২ থেকে প্রকাশিত।
ফোন: ৯৮৫১৬২০, ৮৮৩২৬৪-৬, ফ্যাক্স: ৮৮০-২-৯৮৯৩২৯৫। ই-মেইল : [email protected], [email protected]
🔝
close
অনুসরণ করুন
     
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ মজিবুর রহমান চৌধুরী
স্বদেশ গ্লোবাল মিডিয়া লিমিটেড -এর পক্ষে প্রকাশক কর্তৃক সিটি পাবলিশিং লি, আর কে মিশন রোড, ঢাকা-১২০৩ থেকে মুদ্রিত ও ১০, তাহের টাওয়ার, গুলশান সার্কেল-২ থেকে প্রকাশিত।
ফোন: ৯৮৫১৬২০, ৮৮৩২৬৪-৬, ফ্যাক্স: ৮৮০-২-৯৮৯৩২৯৫। ই-মেইল : [email protected], [email protected]
🔝
close