প্রকাশ: শুক্রবার, ২১ নভেম্বর, ২০২৫, ১০:৩৫ AM

সংগৃহীত ছবি
সুদানের গৃহযুদ্ধে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো সরাসরি ও পরোক্ষভাবে যুক্ত হচ্ছে। গোয়েন্দা রিপোর্টে বলা হয়েছে, ইরান সুদানের সেনাবাহিনীকে অস্ত্র সরবরাহ করছে। একই সঙ্গে সৌদি আরব, মিশর ও তুরস্ক দেশটির সেনাবাহিনীকে সমর্থন দিচ্ছে। অন্যদিকে, দারফুরে গণহত্যায় জড়িত আরএসএফ পাচ্ছে সংযুক্ত আরব আমিরাতের অর্থ ও অস্ত্র সহযোগিতা।
সংঘাত চলতে থাকায় মানবিক সংকট আরও তীব্র হচ্ছে। জাতিসংঘ জানিয়েছে, দারফুরের রাজধানী এল-ফাশের দখল নেওয়ার পর আরএসএফের নৃশংসতায় শত শত মানুষ নিহত হয়েছেন। অক্টোবরের শেষ দিকে ১ লাখের বেশি মানুষ নিরাপদ স্থানে পালিয়েছে। জাতিসংঘ অঞ্চলটিকে ‘ক্রাইম সিন’ হিসেবে উল্লেখ করেছে।
স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার ইউরোপীয় ইউনিয়ন আরএসএফের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। এতে ইউরোপীয় ব্লকে ভ্রমণ নিষিদ্ধ ও সেখানে থাকা সম্ভাব্য সম্পদ জব্দের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, এই সংঘাত শুধু সুদানকেই বিপর্যস্ত করছে না, এটি মধ্যপ্রাচ্য ও আফ্রিকার ভূ-রাজনৈতিক ভারসাম্য পরিবর্তনের সংকেত দিচ্ছে। বিশেষ করে, ইরানের উপস্থিতি বাড়লে হুতি বিদ্রোহীদের জন্য নতুন সমুদ্র করিডোর খুলে যেতে পারে এবং সুদান আবারও হামাস-হিজবুল্লাহর জন্য অস্ত্র সরবরাহের ট্রানজিট পয়েন্ট হয়ে উঠতে পারে।