কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ আগামী ১৩ নভেম্বর কর্মসূচি পালন করবে বলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যে উত্তাপ ছড়াচ্ছে তা মোকাবেলা করতে মাঠে নেমেছে পুলিশ।
সোমবার (১০ নভেম্বর) রাত থেকে অভিযান শুরু করেছে যশোর পুলিশ।
জানা যায়, ১৩ নভেম্বর পর্যন্ত যেকোনো অনাকাঙ্খিত ঘটনা ও অস্থিতিশীল পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে জোর অভিযান শুরু হয়েছে যশোর জেলা জুড়ে। দলটির পক্ষ থেকে আন্দোলন বা ব্লকেডের হুমকিকে গুরুত্ব দিয়েই দেখছে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী। ১০ নভেম্বর রাতে সিনিয়র অফিসারদের নেতৃত্বে যশোর শহর ও শহরতলীতে অভিযান পরিচালিত হয়েছে। ডজন কয়েক মোটরসাইকেল ও গাড়ি বহর হুইসেল দিয়ে শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়কসহ শহরতলীর বিভিন্ন এলাকা টহল দিয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত আটকের কোন তথ্য পাওয়া যায়নি।
যশোর কোতোয়ালি থানা সূত্র জানিয়েছে, ১৩ নভেম্বরকে সামনে রেখে জোর নিরাপত্তাব্যবস্থার বিশেষ নির্দেশনা দেয়া হয়েছে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স থেকে। এ লক্ষ্যে মাঠ পর্যায়ের পুলিশ অভিযান শুরু করেছে। আগামী ১৩ নভেম্বর মধ্যরাত পর্যন্ত এই অভিযান চলমান থাকবে। অনাকাঙ্ক্ষিত কোন ঘটনায় জড়িত হতে পারে এমন সন্দেহভাজন এবং অভিযুক্ত আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতা কর্মীদের আটকের চেষ্টাও চলছে এবং চলবে।
সূত্রের দাবি, আওয়ামী লীগের কর্মসূচির বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ছাড়া অন্য কোথাও দেখা যাচ্ছে না। এরপরও বিষয়টিকে হালকা করে না দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার জন্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা মৌখিকভাবে বিশেষ নির্দেশনা দিয়েছেন। তাদের নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ শুরু করেছে যশোর জেলা পুলিশ। যশোর কোতোয়ালি থানাসহ নয় থানা এলাকায় অভিযান পরিচালিত হচ্ছে।
যশোর কোতোয়ালি থানার ইন্সপেক্টর তদন্ত কাজী বাবুল হোসেন বলেন, “সরকারি নির্দেশনা ও নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে আওয়ামী লীগ সত্যি সত্যি মাঠে নেমে গেলে পুলিশ কঠোর হস্তে দমন করবে।” এছাড়া সাধারণ শান্তিপ্রিয় মানুষ পুলিশের পাশে থাকবে বলে তিনি বিশ্বাস করেন।