প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৫, ১২:৩৫ পিএম

তেঁতুলিয়ায় তাপমাত্রা কমে বাড়ছে শীতের পরশ
হিমকন্যা পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় ক্রমশ কমছে তাপমাত্রা। বিদায় নিতে চলে হেমন্তের কার্তিক মাস। ২০ থেকে ১৮ ডিগ্রির মধ্যে তাপমাত্রা রেকর্ড হওয়ায় বাড়তে শুরু করেছে শীতের পরশ। ভোরের সবুজ ঘাসের ডগায় চিকচিক করছে হিমেল শুভ্র শিশির। রাতভর অনুভূত হচ্ছে শীতের পরশ। ধীরে ধীরে তাপমাত্রা কমতে থাকায় শীত অনুভব করছে উত্তরাঞ্চলের পঞ্চগড়ের আপামর মানুষ।
বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) সকাল সকাল ৯টায় রেকর্ড হয়েছে ১৮ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এর আগে ভোর ৬টায় তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে ১৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। দিনদিন নীচমুখী তাপমাত্রায় এ অঞ্চলে শীত পড়ার তথ্যটি জানিয়েছে প্রথম শ্রেণির তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগার কার্যালয়।
বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, ভোর-সকালে ঝকঝকে আকাশে সূর্যের কিরণ ছড়ালেও গ্রামের প্রকৃতিতে দেখা যায় হালকা কুয়াশা। পথের ঘাসে হিমেল শিশির দেখা যায়। দিনের তাপমাত্রায় গরম অনুভূত হলেও রাত বাড়তে থাকলে শীতল হয়ে উঠে পরিবেশ। স্থানীয়রা গায়ে নিতে শুরু করেছেন লেপ ও কম্বল।
কামাল হোসেন, রাজু ও গৃহিনী জান্নাত আক্তারসহ কয়েক স্থানীয় জানান, দিনে যেমন তেমন। রাতে ঠান্ডা পড়ছে। এখনই লেপ নিতে হচ্ছে। কার্তিক মাস বিদায় নিতে চলে। অগ্রহায়ন মাস পড়লেই পুরোদমে শীত পড়ে যাবে। ভোর পর্যন্ত শীতের পরশ অনুভব হচ্ছে। তবে ঘন কুয়াশা এবং তীব্র শীত আসতে দেরি আছে।
জানা যায়, ভৌগোলিক অবস্থানগত কারণে এলাকাটির নিকটস্থ পৃথিবীর দুই সুউচ্চ পর্বতমালা হিমালয়-কাঞ্চনজঙ্ঘা। বরফের পাহাড়ও বলা হয় এ পর্বতযুগলকে। এ কারণে পাহাড়ি হিমেল হাওয়ায় শীতকালে নেমে যায় তাপমাত্রার পারদ। ফলে এ অঞ্চলে বছরের গরমের তুলনায় শীতের আমেজ বেশি থাকে। দেশের অন্যান্য অঞ্চল থেকে এ অঞ্চলে শীতও পড়ে আগে।
জেলার প্রথম শ্রেণির তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিতেন্দ্রনাথ রায় জানান, এ অঞ্চল শীতের জেলা হিসেবে পরিচিত। আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৯টায় রেকর্ড হয়েছে ১৮ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ভোর ৬টায় ১৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড হয়েছে। সামনের দিনগুলোতে তাপমাত্রা কমতে থাকবে বলে জানান এ কর্মকর্তা।