প্রকাশ: শনিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৫, ১২:৪২ AM আপডেট: ০১.১১.২০২৫ ১২:১১ PM

আলোচিত ইসলামী বক্তা ও চিন্তাবিদ ড. জাকির নায়েক আগামী ২৮ নভেম্বর থেকে ২০ ডিসেম্বর পর্যন্ত বাংলাদেশে অবস্থান করবেন। অন্তর্বর্তী সরকার তাকে এই সময়ের জন্য দেশে থাকার অনুমতি দিয়েছে। সফরকালে তিনি বিভিন্ন জেলায় ধর্মীয় বক্তৃতা ও সেমিনারে অংশ নেবেন বলে জানা গেছে।
এই ঘোষণার পরই ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। তাদের দাবি, জাকির নায়েক ভারতে সন্ত্রাসে অর্থায়ন, ঘৃণামূলক বক্তব্য প্রদান ও মানি লন্ডারিং–এর মামলায় পলাতক আসামি। তাই তাকে বাংলাদেশে পাওয়া গেলে ভারতের হাতে তুলে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে নয়াদিল্লি।
বুধবার (৩০ অক্টোবর) এক সংবাদ সম্মেলনে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, “জাকির নায়েক ভারতের আইনে ওয়ান্টেড ব্যক্তি। আমরা আশা করি, তিনি যেই দেশে অবস্থান করুন না কেন, সেই দেশ তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।”
২০১৬ সালের হলি আর্টিজান হামলার পর শেখ হাসিনা সরকার বাংলাদেশে পিস টিভি নিষিদ্ধ করে, কারণ হামলাকারীদের কেউ কেউ নায়েকের বক্তব্যে প্রভাবিত ছিল বলে তদন্তে উল্লেখ করা হয়েছিল। তবে হাসিনা সরকারের পতনের পর সেই নিষেধাজ্ঞা কার্যত শিথিল হয়েছে।
এই প্রেক্ষাপটে এবারই প্রথম বাংলাদেশ সফরে আসছেন ড. জাকির নায়েক। অন্তর্বর্তী সরকারের সূত্র জানিয়েছে, দেশে এখন ধর্মীয় আলোচনার স্বাধীনতা ও মুক্ত পরিবেশ বিরাজ করছে, এবং এই প্রেক্ষাপটে নায়েককে স্বাগত জানানো হবে।
অন্যদিকে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, নয়াদিল্লি এই সফরকে “বাংলাদেশ সরকারের ভারতবিরোধী অবস্থানের ইঙ্গিত” হিসেবে দেখছে।
স্বদেশ প্রতিদিন/ আরএফ