প্রকাশ: শুক্রবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৫, ১১:৩৭ AM

সংগৃহীত ছবি
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসকে সভাপতি করে গঠিত জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের মেয়াদ আজ শেষ হচ্ছে। চলতি বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি এই কমিশন গঠন করা হয়েছিল। সংবিধান সংস্কার কমিশনের প্রধান অধ্যাপক আলী রীয়াজ কমিশনের সহসভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন।
ঐকমত্য কমিশনের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশনের প্রধান আব্দুল মুয়ীদ চৌধুরী, পুলিশ সংস্কার কমিশনের প্রধান সফররাজ হোসেন, নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের প্রধান বদিউল আলম মজুমদার, বিচার বিভাগ সংস্কার কমিশনের প্রধান বিচারপতি এমদাদুল হক, দুর্নীতি দমন কমিশন সংস্কার কমিশনের প্রধান ড. ইফতেখারুজ্জামান এবং অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা বিশেষ সহকারী মনির হায়দার।
প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গঠিত কমিশনকে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ছয় মাস সময় দেওয়া হয়েছিল। সেই হিসেবে ১৫ আগস্ট কমিশনের মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা ছিল। তবে কার্যক্রম শেষ না হওয়ায় মেয়াদ দুই দফায় এক মাস করে বৃদ্ধি করা হয়। সর্বশেষ তৃতীয় দফায় সরকার ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত মেয়াদ বাড়িয়েছে।
আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে কমিশন নির্বাচন ব্যবস্থা, পুলিশ, বিচার বিভাগ, জনপ্রশাসন, সংবিধান ও দুর্নীতি দমন সংক্রান্ত সংস্কারের জন্য সুপারিশ প্রণয়নের পাশাপাশি রাজনৈতিক দল ও বিভিন্ন শক্তির সঙ্গে আলোচনা করেছে।
কমিশনের নেতৃত্বে জুলাই ঘোষণাপত্র ও জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫ প্রস্তুত করে সরকারকে হস্তান্তর করা হয়েছে। কমিশন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সংলাপ করে সংস্কারের বিষয়ে ঐকমত্যে পৌঁছেছে। জুলাই সনদে বেশিরভাগ রাজনৈতিক দল স্বাক্ষর করেছে, তবে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) এখনও স্বাক্ষর করেনি। এছাড়া কমিশন ইতিমধ্যেই জুলাই সনদ বাস্তবায়নের সুপারিশ অন্তর্বর্তী সরকারের নিকট হস্তান্তর করার কাজ শেষ করেছে।