প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৫, ১:২৭ পিএম

প্রতীকী ছবি
আবারও আলোচনায় এসেছে যুক্তরাষ্ট্রের ডাইভারসিটি ভিসা (ডিভি) লটারি। এতে বাংলাদেশের নাম না থাকা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চলছে ব্যাপক আলোচনা ও বিভ্রান্তি। তবে বিষয়টি নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানোর অপচেষ্টা শনাক্ত করেছে প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ (পিআইবি)-এর ফ্যাক্টচেক ও মিডিয়া রিসার্চ টিম ‘বাংলাফ্যাক্ট’।
বাংলাফ্যাক্ট জানায়, ২০২৬ সালের ডিভি লটারির তালিকায় বাংলাদেশের নাম না থাকাকে ‘নতুন দুঃসংবাদ’ শিরোনামে প্রচার করেছে দৈনিক জনকণ্ঠ ও আজকের কণ্ঠ নামের দুটি ফেসবুক পেজ। একই ধরনের বিভ্রান্তিকর তথ্য দিয়ে আরও কিছু প্রোপাগান্ডা পেজেও ফটোকার্ড শেয়ার করা হচ্ছে।
কিন্তু প্রকৃতপক্ষে, ২০১২ সাল থেকেই ডিভি লটারির তালিকায় বাংলাদেশের নাম নেই। ফলে ২০২৬ সালের তালিকায় দেশটির অনুপস্থিতি কোনো নতুন ঘটনা নয়, বরং বিগত ১৩ বছরের ধারাবাহিকতা।
ফ্যাক্টচেক বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, ২০০৭ থেকে ২০১২ সালের মধ্যে ৫০ হাজারেরও বেশি বাংলাদেশি নাগরিক ডিভি লটারির আওতায় যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন করেছেন। ফলে যুক্তরাষ্ট্রের নির্ধারিত অভিবাসন কোটা পূর্ণ হওয়ায় ২০১৩ সাল থেকে বাংলাদেশকে এই কর্মসূচির বাইরে রাখা হয়েছে।
এ বিষয়ে বাংলাফ্যাক্ট বলেছে, ডিভি লটারিতে বাংলাদেশের নাম না থাকা নতুন কিছু নয়। কিন্তু ‘দুঃসংবাদ’ হিসেবে উপস্থাপন করে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে সামাজিক মাধ্যমে।
উল্লেখ্য, ডাইভারসিটি ভিসা (ডিভি) লটারি যুক্তরাষ্ট্র সরকারের একটি অভিবাসন কর্মসূচি। এর মাধ্যমে প্রতি বছর নির্দিষ্ট সংখ্যক মানুষকে স্থায়ীভাবে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসের সুযোগ দেওয়া হয়। যেসব দেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসনের হার কম, শুধুমাত্র সেই দেশগুলোর নাগরিকরাই এই কর্মসূচিতে অংশ নিতে পারেন। নির্বাচিত ব্যক্তিরা পরবর্তীতে গ্রিন কার্ড পেয়ে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী নাগরিকত্বের সুযোগ পান।
স্বদেশ প্রতিদিন/শাহো