প্রকাশ: বুধবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৫, ১০:০৪ AM

ফাইল ছবি
আগামী সংসদে কারা যাবে, তা নির্ধারণে ভূমিকা রাখবে এনসিপি- এমন দাবি করেছেন দলের উত্তরাঞ্চলীয় মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম। তিনি বলেন, কারা সংসদে যাবে তা নির্ধারণে এনসিপিই একটি নির্ধারক শক্তি হিসেবে উপস্থিত থাকবে।
বুধবার (২২ অক্টোবর) এক সংবাদ সম্মেলনে সারজিস আলম আরও বলেন, নির্বাচন কমিশন যদি তাদের ‘শাপলা’ প্রতীক বরাদ্দ না করে, তাহলে কেন প্রতীক না দেওয়া হচ্ছে- তার আইনি ব্যাখ্যা প্রয়োজন। তিনি বলেন, আইনগত কোনো বাধা না থাকলে প্রতীক ব্যবহায় ইচ্ছাকৃত বাধা হলে কমিশনের নিরপেক্ষতা প্রশ্নবিদ্ধ হবে। প্রয়োজনে এনসিপি আইনি লড়াইয়ের পাশাপাশি রাজপথেও আন্দোলন চালাবে বলে সতর্ক করেন তিনি।
সারজিস আলম বলেন, এনসিপি নির্বাচনে অংশগ্রহণ বা আসন পাওয়াকে উদ্দেশ্য হিসেবে দেখেনা; তাদের লক্ষ্য জনগণের প্রতি দেওয়া অঙ্গীকার বাস্তবায়ন করে জনগণের বিশ্বাস অর্জন। জুলাই সনদে উল্লেখিত প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের সুনির্দিষ্ট রোডম্যাপ না থাকলে তারা কোন কাগজে সই করবে না বলেও জানান তিনি।
জয়পুরহাট ছাড়াও উত্তরাঞ্চলের অন্যান্য জায়গায় শক্তিশালী সাংগঠনিক কাঠামো গড়ে তোলার মাধ্যমে এনসিপি তাদের অবস্থান স্পষ্ট করবে, এমনটিও বলেন উত্তরাঞ্চলীয় মুখ্য সংগঠক।
ইলেক্টোরাল এলায়েন্স প্রসঙ্গে তিনি জানান, এখনও কোনো জোটের সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে যদি কোনো দল জুলাই সনদের প্রতিটি পয়েন্ট বাস্তবায়নে আন্তরিক হয়, গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যার বিরুদ্ধে স্পষ্ট অবস্থান রাখে এবং জনগণের প্রত্যাশা পূরণের বিষয়ে নিষ্ঠাবান থাকে, তাহলে এনসিপি জোট নিয়ে ভাবতে পারে। নচেৎ তারা নিজস্ব পরিচয় ও প্রতীক নিয়েই নির্বাচনে অংশ নেবে।
শেষে সারজিস আলম বলেন, আগামীর রাজনীতির ভিত্তি হবে গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও জবাবদিহিতা, এনসিপি সেই লক্ষ্যেই এগিয়ে যাচ্ছে। তবে নির্বাচন কমিশন আইন উপেক্ষা করলে প্রতীকের অধিকার রোধ করা হলে তারা কেবল আইনি পথে নয়, জনমঞ্চেও লড়াই চালাবে।
স্বদেশ প্রতিদিন/শাহো