প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৫, ৬:২৫ পিএম

সংগৃহীত ছবি
ঢাকার কলাবাগানে একজন ট্রাফিক পুলিশের কনস্টেবলের বিরুদ্ধে পুলিশ বক্সের সামনে কাঁদতে থাকা এক শিশুকে নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলায় নিয়ে ধর্ষণের অভিযোগে উঠেছে।
আজ মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) সকালে এই অভিযাগের ভিত্তিতে নারায়ণগঞ্জের বন্দর থানা-পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
এই বিষয়ে বন্দর থানার ওসি লিয়াকত আলী বলেন, আমরা তাকে গতকাল রাতে আমাদের হাতে পেয়েছি। কারাগারে যাওয়া মো. রুহুল আমিন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) ধানমন্ডি ট্রাফিক ডিভিশনে কর্মরত ছিলেন। ৪১ বছর বয়সী রুহুল মুন্সীগঞ্জের টঙ্গিবাড়ির শেখ সাদির ছেলে। তিনি বন্দর উপজেলার রুপালি আবাসিক এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকেন।
ওসি লিয়াকত আলী বলেন, সোমবার সন্ধ্যায় শহরের চাষাঢ়া থেকে ওই কনস্টেবলকে আটক করা হয়। এসময় তার সাথে শিশুটিও ছিল। পরে মঙ্গলবার রাত ১টার দিকে তাকে সদর মডেল থানা থেকে বন্দর থানায় হস্তান্তর করা হয়।
জানা গেছে, ভুক্তভোগী ১২ বছরের শিশুটি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে চিকিৎসাধীন। শিশুটির বাড়ি মাদারীপুর জেলায়। সে ঢাকার কলাবাগানে একটি বাড়িতে গৃহকর্মী হিসেবে কাজ করত। আজ সকালে শিশুটির চাচা ধর্ষণের অভিযোগে বন্দর থানায় মামলা করেছেন।
মামলা ও প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, সোমবার দুপুরে কলাবাগান পুলিশ বক্সের সামনে কান্না করছিল শিশুটি। এসময় পুলিশ বক্সে দায়িত্বরত কনস্টেবল রুহুল আমিন শিশুটিকে নিয়ে নারায়ণগঞ্জের বন্দরে নিজ বাসায় যান এবং সেখানে শিশুটিকে ধর্ষণ করেন তিনি।
পরবর্তীতে শিশুটিকে নিয়ে আবার ঢাকায় ফিরছিলেন তিনি। পথিমধ্যে চাষাঢ়ায় শিশুটি কান্নাকাটি করলে লোকজনের সন্দেহ হয় এবং তারা থানায় খবর দেন।
বিষয়টি প্রসঙ্গে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ট্রাফিক) রমনা বিভাগের একজন কর্মকর্তার কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, এই বিষয়টি আমাদের জানানো হয়েছে। তার গ্রেপ্তার ও কারাগারে প্রেরনের বিষয়টি আমরা ওয়াকিবহাল।