প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৫, ১২:২২ AM

ফাইল ছবি
নোয়াখালী সদর উপজেলায় বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের আয়োজিত কুরআন প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠানে হামলার ঘটনায় ক্ষোভ জানিয়ে সংগঠনটি দায়ীদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছে। এ বিষয়ে সরকারকে ২৪ ঘণ্টার সময়সীমা দিয়েছে তারা।
ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি জাহিদুল ইসলাম তার ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে অভিযোগ করেন, স্থানীয় বিএনপি ও যুবদলের নেতাকর্মীরা পরিকল্পিতভাবে এই হামলা চালিয়েছে।
তিনি লেখেন, নোয়াখালী সদরে কুরআন প্রশিক্ষণ প্রোগ্রামে নব্য ফ্যাসিস্ট ও কুরআনবিরোধী শক্তি হামলা চালিয়েছে। এতে শিক্ষার্থীরা আহত হয়েছে। এমন নৃশংসতা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
তিনি আরও সতর্ক করে বলেন, ৩৬ জুলাই-পরবর্তী বাংলাদেশে কোনো ধরনের ফ্যাসিবাদী কর্মকাণ্ড সহ্য করা হবে না। আওয়ামী চরিত্রধারী সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজ শক্তির বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে উঠবে। আমরা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তবে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে হামলাকারীদের গ্রেপ্তার না করা হলে এর দায়ভার সরকারকেই নিতে হবে।
এদিকে নোয়াখালী জেলা ছাত্রশিবিরের প্রচার সম্পাদক ফজলে রাব্বী জানান, শনিবার কাসেম বাজার জামে মসজিদে অনুষ্ঠিত দারসুল কুরআন কর্মসূচিতে প্রথম হামলা চালানো হয়। রোববার আসরের নামাজের পর একই স্থানে কর্মসূচি পুনরায় শুরু হলে বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা আবারও হামলা করে।
তিনি দাবি করেন, হামলার পর মসজিদে তালা ঝুলিয়ে শিবিরের বহু নেতাকর্মীকে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়। এ ঘটনায় অন্তত ২৫ জন আহত হন, যাদের মধ্যে ১৬ জনের অবস্থা গুরুতর।
আহতদের মধ্যে রয়েছেন, শহর ছাত্রশিবিরের অফিস সম্পাদক তানভীর সিয়াম, আইন সম্পাদক নাঈম হোসেন, শিবির সদস্য ছালাউদ্দিন এবং কেরামতিয়া মাদ্রাসা শাখার সভাপতি আরাফাত আলী।
স্বদেশ প্রতিদিন/শাহো