
সংগৃহীত ছবি
ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মাহ্ফুজ-উর-রহমান লিপকন বলেছেন, ডাকসু ও জাকসু নির্বাচন ছিল সম্পূর্ণভাবে পূর্বপরিকল্পিত এবং ‘১/১১’-এর ধারাবাহিকতায় পরিচালিত একটি দখলদারি প্রক্রিয়া।
তিনি আরো বলেন, ডাকসু-জাকসু নির্বাচনে কে কত ভোট পাবে, কে কোন পদে বসবে সব আগেই নির্ধারিত ছিল। এটি ২০০৮ সালের নির্বাচনের মতোই একটি পূর্বনির্ধারিত নীলনকশা। শিক্ষাঙ্গনে গণতান্ত্রিক চর্চার কোনো স্থান নেই।
সোমবার (১৫ সেপ্টম্বের) ছাত্রদল ঢাকা মহানগর উত্তরের আওতাধীন ৩৬নং ওয়ার্ড, হাতিরঝিল থানা ছাত্রদলের কর্মী সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, অন্তর্বর্তী সরকার ভোটাধিকার হরণের দায় অন্যের ঘাড়ে চাপাতে চায়, অথচ গত ১৫ বছর দেশের শিক্ষাঙ্গনে একমাত্র ছাত্রলীগ ও ছাত্রশিবির ছাড়া কোনো রাজনৈতিক সংগঠনের কার্যক্রম ছিল না। ছাত্রশিবির এখন গোপনে ছাত্রলীগের ছত্রছায়ায় সুবিধা নিচ্ছে। তারা একসাথে দেশ দখলের রাজনৈতিক খেলায় মেতে উঠেছে। সত্যিকারের গণতন্ত্রের চর্চা নেই, বরং শিক্ষাঙ্গনে প্রতিহিংসা আর দখলদারিত্ব চলছে।
তিনি আরও বলেন, সরকার গত দেড় দশকে রক্তদানের মর্যাদা দিতে ব্যর্থ হয়েছে, সেই সময় যারা শিক্ষাঙ্গনে জীবন দিয়েছে, তাদের আত্মত্যাগ আজ অবহেলিত। এই প্রহসনের নির্বাচন গণতন্ত্রকে আরও দূর্বল করে দিচ্ছে। একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক রাজনৈতিক সংস্কৃতির পরিবর্তে, আমরা দেখছি একনায়কতান্ত্রিক দখলের সংস্কৃতি।
ব্যারিষ্টার ফুয়াদের উদ্দেশ্যে লিপকন বলেন, ফুয়াদ ছাত্রদলের নেতাকর্মী নিয়ে কথা বলার সাহস কেমনে পান। মুখে লাগাম টানেন। নইলে ছাত্রদল উপযুক্ত জবাব দেবে। তিনি বলেন, বাংলাদেশে যারা আন্দোলনে ছিলেন, হয়তো এখন কিছুটা দূরত্ব থাকতে পারে। আমি তাদের কাছে আবেদন জানাবো, বাংলাদেশকে এবং দেশের মানুষকে ভালোবাসেন। হাসিনার মতো কথা বলে আমরা সরকারে যেতে চাই না। আমার নেতা তারেক রহমান বলেছেন ‘আমার ভোট আমি দেব এবং সেই ভোটে যদি আমি জয়লাভ করি, তাহলে যারা ১৬ বছর নির্যাতন করেছে তাদের বিরুদ্ধে আমাদের লড়াই চলবে।’
লিপকন বলেন, শহীদ জিয়া ও বেগম জিয়াকে দেশের মানুষ যেমনভাবে সততা এবং আপোষহীনতার জন্য ভালোবেসেছে, তেমনিভাবে ১৬ বছর ধরে আপনি (তারেক রহমান) গণতন্ত্র রক্ষা করার জন্য নেতা-কর্মীদের যেভাবে উজ্জীবিত করে রেখেছেন, সেজন্য মানুষ আপনাকে ভালোবাসে।
স্বদেশ প্রতিদিন/শাহো/ওএফ