প্রকাশ: শুক্রবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ৮:৫৯ AM আপডেট: ১২.০৯.২০২৫ ৯:২৯ এএম

সংগৃহীত ছবি
কাতারের রাজধানী দোহায় ইসরায়েলি হামলায় নিহতদের জানাজায় অংশ নিয়েছেন কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানি।
গতকাল বৃহস্পতিবার (১১ সেপ্টেম্বর) ইমাম আব্দুল ওয়াহাব মসজিদে অনুষ্ঠিত এ জানাজায় নিহতদের মরদেহে শ্রদ্ধা জানান তিনি।
ইসরায়েলি বিমান হামলায় অন্তত ছয়জন নিহত হন, যার মধ্যে পাঁচজন ফিলিস্তিনি এবং একজন কাতারের সেনা সদস্য। নিহত সেনার নাম করপোরাল বদর সাদ মোহাম্মদ আল-হুমাইদি আল দোসারি। তার মরদেহ কাতারের পতাকায়, আর ফিলিস্তিনিদের মরদেহ ফিলিস্তিনি পতাকায় মুড়ে আনা হয়। নিহতদের মিসাইমির কবরস্থানে দাফন করা হবে বলে জানিয়েছে কাতারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। নিরাপত্তা জোরদার করতে মসজিদের প্রবেশপথগুলোতে চেকপোস্ট বসানো হয়েছিল।
গত মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) হামাসের শীর্ষ নেতাদের টার্গেট করে ইসরায়েলি বিমানবাহিনী এ হামলা চালায়। যদিও হামাসের দাবি, তাদের শীর্ষ নেতারা সবাই বেঁচে গেছেন। তবুও হামলায় প্রাণ হারান ছয়জন, যার মধ্যে হামাস নেতা খলিল আল-হায়ার ছেলে রয়েছেন। মূলত খলিল ও তার সহযোগীদের হত্যার লক্ষ্যেই এই হামলা চালানো হয়।
বুধবার সিএনএনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে কাতারের প্রধানমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আব্দুল রহমান আল থানি জানান, খলিল আল-হায়া নিহত হয়েছেন কি না সে বিষয়ে তার কাছে সুনির্দিষ্ট তথ্য নেই।
তিনি আরও বলেন, দোহায় এই হামলার কারণে ইসরায়েলি জিম্মিদের মুক্তির আশা শেষ হয়ে গেছে। কাতার এখন মধ্যস্থতাকারী হিসেবে তাদের ভূমিকা নতুন করে বিবেচনা করছে।
আল থানি সতর্ক করে বলেন, এই হামলা গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি জিম্মিদের মুক্তির সব আশাকে ভেঙে দিয়েছে। কাতার প্রধান মধ্যস্থতাকারী হিসেবে তাদের অবস্থান পুনর্মূল্যায়ন করছে।
উল্লেখ্য, হামাস-ইসরায়েল সংঘাত নিয়ে বেশ কয়েক দফা পরোক্ষ আলোচনার আয়োজন হয়েছে দোহায়।
সূত্র: খালিজ টাইমস