প্রকাশ: শুক্রবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৫, ৩:২৪ AM

পটুয়াখালীর বাউফলের দাশপাড়া ইউনিয়নে বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ককে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে মারামারি হয়েছে, এতে অন্তত ৭ জন আহত হয়েছেন। ঘটনা ঘটে তখন স্থানীয়রা দুই পক্ষের মধ্যে সম্পর্ক নিয়ে প্রতিবাদ করতে গেলে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দাশপাড়া ইউনিয়নের সিকদার বাড়ির কাওসার সিকদারের কাছে গত দুই সপ্তাহ ধরে ধুলিয়া ইউনিয়নের জাকির খানের মেয়ে ফারজানা আক্তার বসবাস করছিলেন। কাওসার দীর্ঘ ১৫ দিন ধরে তাকে নিজের বাসায় রাখায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়।
মঙ্গলবার (২৬ আগস্ট) এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা বিষয়টি নিয়ে কাওসারের পরিবারের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করলে কাওসার উত্তেজিত হয়ে তাদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেন। কাওসারের ভগ্নিপতি শাকিবুল ইসলাম জানান, তিনি উভয়ের কলেমা পড়িয়েছেন, তবে কাবিন এখনও সম্পন্ন হয়নি। এতে এলাকাবাসী ক্ষিপ্ত হয়ে জানান, সরকারি নিয়ম মেনে কাবিন ছাড়া তারা বিয়েটি মেনে নেবেন না।
এ ঘটনার জের ধরে কাওসার, তার ভাই ও দুলাভাই মিলিত হয়ে প্রতিবাদকারীদের ওপর হামলা চালান। এতে লোকমান, রিমা বেগম, পারভেজ ও মিনারা বেগম আহত হন। অভিযোগ রয়েছে, হামলাকারীরা পারভেজ শিকদারের দোকান ভাঙচুর করে নগদ ৩-৪ হাজার টাকা ও মালামাল লুট করেন।
পরে এলাকাবাসী প্রতিরোধ গড়ে তুললে আইয়ুব আলী শিকদার ও তার ছেলে কাওসার আবার তাদের লোকজন নিয়ে হামলা চালান। এতে উভয়পক্ষের অন্তত ৬-৭ জন গুরুতর আহত হন। আহতদের মধ্যে কাওসারের পরিবারের কয়েকজন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিয়েছেন।
স্থানীয়রা বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন। সংবাদ সম্মেলনে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে ন্যায় বিচার দাবি করা হয়।
এবিষয়ে কাওসারের ভগ্নীপতি শাকিবুল ইসলাম বলেন, “আমি উভয়ের অভিভাবকের অনুমতি নিয়ে তাদের কলেমা পড়িয়ে বিয়ে দিয়েছি; সময় সুযোগ করে কাবিন সম্পন্ন করা হবে।”
স্বদেশ প্রতিদিন/ আরএফ