জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) চলমান আন্দোলনের মধ্যে পাঁচ দফা দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির জবি শাখা।
গত মঙ্গলবার থেকে দুই দফা দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে আসছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। এর ধারাবাহিকতায় গত রবিবার তারা ‘ব্রেক দ্য সাইলেন্স’ কর্মসূচি পালন করেন। সোমবার বিকেল ৩টার দিকে শিক্ষার্থীরা প্রশাসনিক ভবনে তালা দেন এবং প্রায় আট ঘণ্টা পর সেটি খুলে দেন।
পাঁচ দফা দাবিগুলো হল:
১. বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিশেষ সিন্ডিকেট পরবর্তী সময়ে নীতিমালা ইউজিসিতে পাঠানোর পর তা ইউজিসির মাধ্যমে মন্ত্রণালয়ে গিয়ে ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় আইনে বিধি আকারে যুক্ত করতে হবে।
২. বিধি আকারে আসা মাত্রই রোডম্যাপ ঘোষণা করে ৪৫ কার্যদিবসের মধ্যে নির্বাচন আয়োজন করতে হবে।
৩. আগামী সাত কার্যদিবসের মধ্যে সম্পূরক বৃত্তির নীতিমালা সম্পন্ন করতে হবে।
৪. নীতিমালা সম্পন্ন হওয়ার ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে বৃত্তিপ্রাপ্তদের তালিকা প্রকাশ করতে হবে।
৫. বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে ইউজিসি ও মন্ত্রণালয়ের সাথে সমন্বয় করে অক্টোবর থেকে বৃত্তি কার্যক্রম শুরু করতে হবে।
জবি শিবিরের সভাপতি রিয়াজুল ইসলাম বলেন, “আমরা শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক দাবি আদায়ে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছি। একত্রিত আন্দোলন যেমন চলবে, তেমনি আমাদের পক্ষ থেকেও আলাদাভাবে চাপ সৃষ্টি করা হবে।”
সংগঠনের সেক্রেটারি আব্দুল আলিম আরিফ বলেন, “আমাদের দাবি বাস্তবায়ন সম্ভব এবং প্রশাসন চাইলে দ্রুতই তা করা যাবে। দাবিগুলো না মানা হলে কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে।”
অর্থ সম্পাদক মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, “সম্পূরক বৃত্তি ও জকসুর টাইমলাইন নিয়ে আর কোনো তালবাহানা শিক্ষার্থীরা মেনে নেবে না। দ্রুততম সময়ে এ দুটি দাবি বাস্তবায়ন করতে হবে।”