বৃহস্পতিবার ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
   
শিরোনাম:
দেশকে অস্থিতিশীল করার সুযোগ দেয়া হবে না       নৈরাজ্য ও ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে মোংলায় বিএনপির বিক্ষোভ       আওয়ামী লী‌গের তিন নেতা গ্রেপ্তার      সাতক্ষীরায় জলবায়ু ন্যায়বিচার প্রকল্পের সমাপনী      সন্ত্রাসের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার প্রতিবাদে বিক্ষোভ       আইনশৃঙ্খলা সভায় হট্টগোল, তর্কে জড়ালেন এমপি হান্নান      লাতিন আমেরিকার দুই দলকে হারাল জাপান-কোরিয়া      কিশোর গ্যাংয়ের সঙ্গে সম্পৃক্ততার সন্দেহে ৫১ কিশোর আটক      প্রথম ১৪ ওয়ানডেতেই ইতিহাস গড়লেন ম্যাথু ব্রিটজকে      ২৫ সেপ্টেম্বরের মুর্তজা কিজিলবাশের কনসার্ট স্থগিত      অঙ্কন-নন্দিতার দ্বৈত কণ্ঠে আজ প্রকাশিত হচ্ছে ‘মথুরা’      ফোটন সার্ভিস সেন্টারের উদ্বোধন      
৩০০ কোটি টাকা লাগবে ডিজিটাল ব্যাংক খুলতে
স্বদেশ ডেস্ক
প্রকাশ: সোমবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৫, ৫:৩৫ AM

এখন বাড়িয়ে ৩০০ কোটি টাকা করা হয়েছে ডিজিটাল ব্যাংকের ন্যূনতম পরিশোধিত মূলধনের সীমা, যা আগে ১২৫ কোটি টাকা ছিল।

রোববার (২৪ আগস্ট) এক প্রজ্ঞাপনে এই সিদ্ধান্ত জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক ।

ডিজিটাল ব্যাংকের নীতিমালা করে বাংলাদেশ ব্যাংক ২০২৩ সালের ১৪ জুন। সেই নীতিমালা অনুযায়ী, ১২৫ কোটি টাকা ছিল ডিজিটাল ব্যাংক প্রতিষ্ঠার জন্য ন্যূনতম পরিশোধিত মূলধন । তবে প্রয়োজন ৫০০ কোটি টাকা প্রচলিত ব্যাংকের লাইসেন্স পেতে। ১৯৯১ সালের ব্যাংক কোম্পানি আইনের আওতায় ডিজিটাল ব্যাংকের লাইসেন্স প্রদান করা হবে। আর ২০১৪ সালের বাংলাদেশ পেমেন্ট অ্যান্ড সেটেলমেন্ট সিস্টেম রেগুলেশনের অধীনে পেমেন্ট সার্ভিস পরিচালিত হবে ।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নীতিমালা অনুযায়ী, প্রধান কার্যালয় থাকবে ডিজিটাল ব্যাংক পরিচালনার জন্য। এটি হবে স্থাপনাবিহীন সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে। অর্থাৎ সেবা দেবে না এই ব্যাংক কোনো ওভার দ্য কাউন্টার (ওটিসি)। থাকবে না ডিজিটাল ব্যাংকের নিজস্ব কোনো এটিএম, শাখা বা উপশাখা, সিডিএম অথবা সিআরএমও। অ্যাপ নির্ভর হবে সব সেবাই , মুঠোফোন বা ডিজিটাল যন্ত্রে।

দিন রাত ২৪ ঘণ্টাই সেবা মিলবে একটি ডিজিটাল ব্যাংকে। ডিজিটাল ব্যাংক গ্রাহকদের লেনদেনের সুবিধার্থে ভার্চ্যুয়াল কার্ড, কিউআর কোড ও অন্য কোনো উন্নত প্রযুক্তিভিত্তিক পণ্য দিতে পারবে। তবে কোনো প্লাস্টিক কার্ড দিতে পারবে না লেনদেনের জন্য। গ্রাহকরা অন্য ব্যাংকের এটিএম, এজেন্টসহ নানা সেবা ব্যবহার করতে পারবেন এই ব্যাংকের সেবা নিতে। খুলতে পারবে না ডিজিটাল ব্যাংক কোনো ঋণপত্র (এলসি)। কোনো ঋণ দেওয়া যাবে না বড় ও মাঝারি শিল্পেও। পারবে শুধু ছোট ঋণ দিতে।

প্রতিটি ডিজিটাল ব্যাংককে প্রাথমিক গণপ্রস্তাবনা (আইপিও) আনতে হবে বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদন পাওয়ার পাঁচ বছরের মধ্যে।অবশ্যই উদ্যোক্তাদের প্রাথমিক বিনিয়োগের ন্যূনতম সমান হতে হবে আইপিওর পরিমাণ। অনলাইন ব্যাংকিংয়ের একটি বৃহত্তর অংশ ডিজিটাল ব্যাংকিং , যেখানে ব্যাংকিং সেবা দেওয়া হয় ইন্টারনেটের মাধ্যমে।


স্বদেশ প্রতিদিন/কেআইকে


আরও সংবাদ   বিষয়:  কোটি   টাকা   ব্যাংক  






Loading...
Loading...
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ  
অনুসরণ করুন
     
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ মজিবুর রহমান চৌধুরী
স্বদেশ গ্লোবাল মিডিয়া লিমিটেড -এর পক্ষে প্রকাশক কর্তৃক সিটি পাবলিশিং লি, আর কে মিশন রোড, ঢাকা-১২০৩ থেকে মুদ্রিত ও ১০, তাহের টাওয়ার, গুলশান সার্কেল-২ থেকে প্রকাশিত।
ফোন: ৯৮৫১৬২০, ৮৮৩২৬৪-৬, ফ্যাক্স: ৮৮০-২-৯৮৯৩২৯৫। ই-মেইল : [email protected], [email protected]
🔝
close
অনুসরণ করুন
     
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ মজিবুর রহমান চৌধুরী
স্বদেশ গ্লোবাল মিডিয়া লিমিটেড -এর পক্ষে প্রকাশক কর্তৃক সিটি পাবলিশিং লি, আর কে মিশন রোড, ঢাকা-১২০৩ থেকে মুদ্রিত ও ১০, তাহের টাওয়ার, গুলশান সার্কেল-২ থেকে প্রকাশিত।
ফোন: ৯৮৫১৬২০, ৮৮৩২৬৪-৬, ফ্যাক্স: ৮৮০-২-৯৮৯৩২৯৫। ই-মেইল : [email protected], [email protected]
🔝
close