প্রকাশ: সোমবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৫, ৫:৩৫ AM

এখন বাড়িয়ে ৩০০ কোটি টাকা করা হয়েছে ডিজিটাল ব্যাংকের ন্যূনতম পরিশোধিত মূলধনের সীমা, যা আগে ১২৫ কোটি টাকা ছিল।
রোববার (২৪ আগস্ট) এক প্রজ্ঞাপনে এই সিদ্ধান্ত জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক ।
ডিজিটাল ব্যাংকের নীতিমালা করে বাংলাদেশ ব্যাংক ২০২৩ সালের ১৪ জুন। সেই নীতিমালা অনুযায়ী, ১২৫ কোটি টাকা ছিল ডিজিটাল ব্যাংক প্রতিষ্ঠার জন্য ন্যূনতম পরিশোধিত মূলধন । তবে প্রয়োজন ৫০০ কোটি টাকা প্রচলিত ব্যাংকের লাইসেন্স পেতে। ১৯৯১ সালের ব্যাংক কোম্পানি আইনের আওতায় ডিজিটাল ব্যাংকের লাইসেন্স প্রদান করা হবে। আর ২০১৪ সালের বাংলাদেশ পেমেন্ট অ্যান্ড সেটেলমেন্ট সিস্টেম রেগুলেশনের অধীনে পেমেন্ট সার্ভিস পরিচালিত হবে ।
বাংলাদেশ ব্যাংকের নীতিমালা অনুযায়ী, প্রধান কার্যালয় থাকবে ডিজিটাল ব্যাংক পরিচালনার জন্য। এটি হবে স্থাপনাবিহীন সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে। অর্থাৎ সেবা দেবে না এই ব্যাংক কোনো ওভার দ্য কাউন্টার (ওটিসি)। থাকবে না ডিজিটাল ব্যাংকের নিজস্ব কোনো এটিএম, শাখা বা উপশাখা, সিডিএম অথবা সিআরএমও। অ্যাপ নির্ভর হবে সব সেবাই , মুঠোফোন বা ডিজিটাল যন্ত্রে।
দিন রাত ২৪ ঘণ্টাই সেবা মিলবে একটি ডিজিটাল ব্যাংকে। ডিজিটাল ব্যাংক গ্রাহকদের লেনদেনের সুবিধার্থে ভার্চ্যুয়াল কার্ড, কিউআর কোড ও অন্য কোনো উন্নত প্রযুক্তিভিত্তিক পণ্য দিতে পারবে। তবে কোনো প্লাস্টিক কার্ড দিতে পারবে না লেনদেনের জন্য। গ্রাহকরা অন্য ব্যাংকের এটিএম, এজেন্টসহ নানা সেবা ব্যবহার করতে পারবেন এই ব্যাংকের সেবা নিতে। খুলতে পারবে না ডিজিটাল ব্যাংক কোনো ঋণপত্র (এলসি)। কোনো ঋণ দেওয়া যাবে না বড় ও মাঝারি শিল্পেও। পারবে শুধু ছোট ঋণ দিতে।
প্রতিটি ডিজিটাল ব্যাংককে প্রাথমিক গণপ্রস্তাবনা (আইপিও) আনতে হবে বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদন পাওয়ার পাঁচ বছরের মধ্যে।অবশ্যই উদ্যোক্তাদের প্রাথমিক বিনিয়োগের ন্যূনতম সমান হতে হবে আইপিওর পরিমাণ। অনলাইন ব্যাংকিংয়ের একটি বৃহত্তর অংশ ডিজিটাল ব্যাংকিং , যেখানে ব্যাংকিং সেবা দেওয়া হয় ইন্টারনেটের মাধ্যমে।
স্বদেশ প্রতিদিন/কেআইকে